ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাউবির এমএসএস প্রোগ্রামে প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীর ডিগ্রি অর্জন গাজীপুরের গাছায় দারুল হেদায়া কওমী মাদ্রাসার ৬ ছাত্রকে বলাৎকার শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেপ্তার মক্কায় মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ বাংলাদেশির নাম প্রকাশ চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন টঙ্গীতে মাদকের বিস্তার, বাড়ছে ছিনতাই-অস্ত্রের ব্যবহার ৯ মাসে ৪০২ মামলা, গ্রেপ্তার ৯৫৬; অভিযানের পরও থামছে না অপরাধ গাজীপুরে গণমাধ্যমকর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি বিআরটিএতে ‘প্রভাবশালী’ মোটরযান পরিদর্শক খ্যাত মামুনুর রশিদ এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ গাজীপুর মহানগরেতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, নির্বিকার সিটি কর্পোরেশন রাজধানীতে নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে অপারেশনের পর মৃত্যু হয় লিজার গাজীপুর টঙ্গীতে মাদক নির্মূলের নামে বস্তি উচ্ছেদের অভিযোগ, বস্তিবাসীর বিক্ষোভ

অবৈধ সম্পর্ক ও প্রতারণার অভিযোগে মইনুলের বিরুদ্ধে মামলা করায় বিপাকে পরিবার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫ ২১৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ ঃ
গাজীপুরে প্রতারণা ও অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে গাজীপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তাঁর প্রথম স্ত্রী ফৌজিয়া ইয়াসমিন সাথী। মামলা দায়েরে পর থেকে অভিযুক্ত মইনুল ইসলাম বিভিন্ন ভাবে ভোক্তভোগি পরিবারটিকে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন মানসিকতায় লিপ্ত হয়ে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছেন বলে দাবি করেছেন মামলায় বাদীর পিতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাসান আলী। হাসান আলীর বক্তব্য অনুযায়ী, মইনুল ইসলাম তাঁর বড় মেয়ের জামাই। পারিবারিক সম্মতিতে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পাঁচ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করে তিনি হাসান আলীর মেয়েকে বিয়ে দেন। বিবাহের পর থেকেই হাসান আলী তার মেয়ের জামাতা মইনুল ইসলামকে বিভিন্ন সময়ে নগদ আর্থিক সহায়তা সহ গত ১৬ বছর যাবত মেয়ে ও নাতিদের কথা চিন্তা করে মইনুল ইসলাম এবং তার পরিবারের যাবতীয় ভরণ পোষণ দিয়ে আসছেন। মইনুল ও ফৌজিয়া দম্পত্তির সংসারে দুইজন সন্তান রয়েছে একজন মাঈশা তারান্নুম (১৪) কুরআনের হাফেজা এবং অষ্টম শ্রেণিতে এবং অন্যজন মুসতাকিম আবরার (৬) নার্সারিতে পড়াশুনা করছেন। হাসান আলী আরো বলেন, মইনুল ইসলাম শুধুমাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন, পরবর্তীতে শ্বশুরবাড়ির সহায়তায় থাকে, এসএসসি পর্যন্ত পড়াশুনা এবং ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শিখিয়ে কর্মমূখী করে তোলার চেষ্টা করেন।

ইঞ্জিনিয়ার হাসান আলী আরো জানান, গত ২৫শে মার্চ, ২০২৫ তারিখে একাধীক অনলাইন পোর্টালে আমি ও আমার পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে যে কাল্পনিক ও মনগড়া বাক্য উল্লেখ করে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তার কাল্পনিক ঘটনা গুলোর সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। মুলত সত্য ঘটনা আড়াল করে এই সংবাদ প্রকাশ বিশেষ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন যাবত আমার বুঝতে পারি সে ভয়াবহ জুয়ার আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছে। জুয়ার টাকার জন্য প্রায় সময়ই আমার মেয়ে ও নাতিদের সাথে খারাপ আচরণ করতে থাকে। আমার মেয়ে ও আমারকে সময়ে অসময়ে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। টাকা না দিলে আমার মেয়ের উপর মানসিক ও শারিরিক অত্যাচার শুরু করে। বাবা হয়ে এসব ঘটনা সহ্য করতে না পেরে তার অনৈতিক আবদার ও বিভিন্ন সময়ে ব্যবসার কথা বলে একাধিকবার টাকা নেয় এবং হাসান আলীর বাড়ির ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে বাসা ভাড়ার প্রায় চার লক্ষ টাকা তুলে আত্নসাৎ করেন। কিন্তু তিনি কোনো টাকা ফেরত দেননি।

তিনি আরো বলেন, বেশ কয়েক মাস যাবত মইনুল কাউকে কিছু না জানিয়ে প্রায়ই ৩/৪ দিন বাড়ির বাহিরে নিরুদ্দেশ হয়ে থাকে। প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই নরসিংদী কোর্টে গোপনে রহিমা খাতুন নামে এক মহিলাকে বিয়ে করেন। যা গত ১৮/১/২০২৫ ইং তারিখে দ্বিতীয় স্ত্রী রহিমাকে কুড়িগ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ পায়। বিষয়টি জানাজানি হলে মইনুল ইসলাম প্রথম স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্বও এড়িয়ে যান। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ রাতে হাসান আলীর বাসার সামনে মইনুল ইসলাম ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী রহিমা খাতুন সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে থাকে। তাদের দেখে প্রথম স্ত্রী আবেগ প্রবণ হয়ে কান্নাকটি ও ডাক চিৎকার শুরু করলে মইনুল ইসলাম দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলে আশে পাশের লোকজন জড়ো হলে রহিমা খাতুন তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে, হাসান আলী নিরাপত্তার কথা ভেবে রহিমা খাতুনকে বাসার নিচে আশ্রয় দেন এবং তাঁর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মেয়ের দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন। বিষয়টি আইনীভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাসান আলী নিজে টঙ্গী পশ্চিম থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করলে এস.আই শরীফ তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে এসে রহিমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানায় নিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদের সময় এবং রহিমা খাতুনের জবানবন্দীর সময় তাহার স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, মইনুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে হাসান আলীর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকেন, যার ফলে ১৬ ফেব্রুয়ারি টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ১০১২) করা হয়। হাসান আলীর দাবি, এই ঘটনাগুলোকে আড়াল করার জন্য মইনুল ইসলাম এখন উল্টো তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন এবং ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে নেওয়া টাকাও আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন। প্রথম স্ত্রী নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলা গত ১৬ ফেব্রুয়ারি গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মইনুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী বাদী হয়ে তাহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন, মামলা নং: ৬৮/২০২৫ইং)।
মাইনুল কে একাধিকবার মোবাইল ফোনে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোন রিসিভ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অবৈধ সম্পর্ক ও প্রতারণার অভিযোগে মইনুলের বিরুদ্ধে মামলা করায় বিপাকে পরিবার

আপডেট সময় : ১১:৩৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ ঃ
গাজীপুরে প্রতারণা ও অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে গাজীপুরের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন তাঁর প্রথম স্ত্রী ফৌজিয়া ইয়াসমিন সাথী। মামলা দায়েরে পর থেকে অভিযুক্ত মইনুল ইসলাম বিভিন্ন ভাবে ভোক্তভোগি পরিবারটিকে হেয় প্রতিপন্ন করার হীন মানসিকতায় লিপ্ত হয়ে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছেন বলে দাবি করেছেন মামলায় বাদীর পিতা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাসান আলী। হাসান আলীর বক্তব্য অনুযায়ী, মইনুল ইসলাম তাঁর বড় মেয়ের জামাই। পারিবারিক সম্মতিতে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পাঁচ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য করে তিনি হাসান আলীর মেয়েকে বিয়ে দেন। বিবাহের পর থেকেই হাসান আলী তার মেয়ের জামাতা মইনুল ইসলামকে বিভিন্ন সময়ে নগদ আর্থিক সহায়তা সহ গত ১৬ বছর যাবত মেয়ে ও নাতিদের কথা চিন্তা করে মইনুল ইসলাম এবং তার পরিবারের যাবতীয় ভরণ পোষণ দিয়ে আসছেন। মইনুল ও ফৌজিয়া দম্পত্তির সংসারে দুইজন সন্তান রয়েছে একজন মাঈশা তারান্নুম (১৪) কুরআনের হাফেজা এবং অষ্টম শ্রেণিতে এবং অন্যজন মুসতাকিম আবরার (৬) নার্সারিতে পড়াশুনা করছেন। হাসান আলী আরো বলেন, মইনুল ইসলাম শুধুমাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন, পরবর্তীতে শ্বশুরবাড়ির সহায়তায় থাকে, এসএসসি পর্যন্ত পড়াশুনা এবং ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শিখিয়ে কর্মমূখী করে তোলার চেষ্টা করেন।

ইঞ্জিনিয়ার হাসান আলী আরো জানান, গত ২৫শে মার্চ, ২০২৫ তারিখে একাধীক অনলাইন পোর্টালে আমি ও আমার পরিবারকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে যে কাল্পনিক ও মনগড়া বাক্য উল্লেখ করে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। তার কাল্পনিক ঘটনা গুলোর সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। মুলত সত্য ঘটনা আড়াল করে এই সংবাদ প্রকাশ বিশেষ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য করা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন যাবত আমার বুঝতে পারি সে ভয়াবহ জুয়ার আসক্তিতে জড়িয়ে পড়েছে। জুয়ার টাকার জন্য প্রায় সময়ই আমার মেয়ে ও নাতিদের সাথে খারাপ আচরণ করতে থাকে। আমার মেয়ে ও আমারকে সময়ে অসময়ে টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে। টাকা না দিলে আমার মেয়ের উপর মানসিক ও শারিরিক অত্যাচার শুরু করে। বাবা হয়ে এসব ঘটনা সহ্য করতে না পেরে তার অনৈতিক আবদার ও বিভিন্ন সময়ে ব্যবসার কথা বলে একাধিকবার টাকা নেয় এবং হাসান আলীর বাড়ির ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে বাসা ভাড়ার প্রায় চার লক্ষ টাকা তুলে আত্নসাৎ করেন। কিন্তু তিনি কোনো টাকা ফেরত দেননি।

তিনি আরো বলেন, বেশ কয়েক মাস যাবত মইনুল কাউকে কিছু না জানিয়ে প্রায়ই ৩/৪ দিন বাড়ির বাহিরে নিরুদ্দেশ হয়ে থাকে। প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই নরসিংদী কোর্টে গোপনে রহিমা খাতুন নামে এক মহিলাকে বিয়ে করেন। যা গত ১৮/১/২০২৫ ইং তারিখে দ্বিতীয় স্ত্রী রহিমাকে কুড়িগ্রামে নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ পায়। বিষয়টি জানাজানি হলে মইনুল ইসলাম প্রথম স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্বও এড়িয়ে যান। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ রাতে হাসান আলীর বাসার সামনে মইনুল ইসলাম ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী রহিমা খাতুন সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে থাকে। তাদের দেখে প্রথম স্ত্রী আবেগ প্রবণ হয়ে কান্নাকটি ও ডাক চিৎকার শুরু করলে মইনুল ইসলাম দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলে আশে পাশের লোকজন জড়ো হলে রহিমা খাতুন তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে, হাসান আলী নিরাপত্তার কথা ভেবে রহিমা খাতুনকে বাসার নিচে আশ্রয় দেন এবং তাঁর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি মেয়ের দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন। বিষয়টি আইনীভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাসান আলী নিজে টঙ্গী পশ্চিম থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ করলে এস.আই শরীফ তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে এসে রহিমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানায় নিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদের সময় এবং রহিমা খাতুনের জবানবন্দীর সময় তাহার স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, মইনুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে হাসান আলীর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকেন, যার ফলে ১৬ ফেব্রুয়ারি টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ১০১২) করা হয়। হাসান আলীর দাবি, এই ঘটনাগুলোকে আড়াল করার জন্য মইনুল ইসলাম এখন উল্টো তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন এবং ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে নেওয়া টাকাও আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন। প্রথম স্ত্রী নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলা গত ১৬ ফেব্রুয়ারি গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মইনুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী বাদী হয়ে তাহার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন, মামলা নং: ৬৮/২০২৫ইং)।
মাইনুল কে একাধিকবার মোবাইল ফোনে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোন রিসিভ করেননি।