ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে ১০ হাজার পিচ ইয়াবা সহ দুই নারী আটক  রাজধানীতে বসছে ২৪ অস্থায়ী পশুর হাট, আফতাবনগরে ‘অনিশ্চিত’ যুবসমাজ রক্ষায় মাদককে না বলুন- গাছায় বিএনপির নেতার বিশাল র ্যালি ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিধবাকে ধ/র্ষণ গাজীপুরে গাছায় ১১ পিস ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার গাছা এলার বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন গাজীপুরে টঙ্গীতে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন স্ত্রী গ্রেফতার গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান কে দেখতে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে যান গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃকামাল উদ্দিন। গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান ভাই মহাখালী জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল  ভর্তি আছে সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গাছা প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম

কাপাসিয়ায় শিক্ষকের জমি দখলে মরিয়া মামুন দালতের আদেশ উপেক্ষা করে ভূমি দখলের চেষ্ঠা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫ ১২৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাকারিয়া হোসেন হিমেল ঃ

পুত্র সন্তানহীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (অবঃ) শিক্ষকের জমি জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর স্থানীয় যুবলীগ কর্মী, ভূমি দস্যু মামুন (৩৫) ও তার ভাই ছাব্বিরের (২৭) বিরুদ্ধে। সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, মামুন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন মানুষের জমি দখল, মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি, করে আসছে। ইতিপূর্বেও মামুন বিভিন্ন মানুষের জমি জোড় পূর্বক দখল করে রাখার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

ভুক্তভোগী মো. ইমারত (৭০) ও তার স্ত্রী মাজেদা বেগম (৫৭) জানান, তারা বাগেরহাট মৌজার আরএস ১৪৪ খতিয়ানে আর.এস ২৩৯নং দাগে রেকর্ডীয় মালিক আব্দুল ছাত্তারের কাছ থেকে বৈধভাবে রেজিস্ট্রি করিয়া ৯৫৫১ নং দলিলে ৯ শতাংশ ও ১০০৪৫ নং দলিলে ৪.৫০ শতাংশসহ মোট ১৩.৫০ শতাংশ এবং আরেক আর.এস রেকর্ডিয় মালিক চাঁন্দু মিয়ার কাছ থেকে ৯৫৬৬ নং দলিলে ১০.৫০ শতাংশ ও ৮৭৮ নং দলিলে উল্লেখিত খতিয়ানে মাজেদা বেগমের নামে ৩.৫০ শতাংশ সহ মোট ১৪ শতাংশ সর্বমোট ২৭.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ভোগ দখলে থাকেন। পরবর্তী সমেয় ইমারত ৯৫৫১নং দলিলের সম্পত্তি হইতে তার স্ত্রী মাজেদা বেগমকে ৯৫৬৩ দলিলের মাধ্যমে ৪.৫০ শতাংশ সম্পত্তি হেবা দান করেন। ভোগ দখলে থকে বিগত ২০/২/২০১৮ ইং তারিখে এসি ল্যান্ড অফিস হইতে নিজেদের নামে নামজারি জমাভাগ করে ৪৮৪ নম্বর জোত খুলে নিয়মিত সরকারি খাজনা পরিশোধ করে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। রেকর্ড ও কাগজপত্রে দেখা যায়, আব্দুল ছাত্তার ও চাঁন্দু মিয়া উভয়েই মামুনের আপন চাচা ও উভয়েই আর.এস রেকর্ডিয় মালিক। আব্দুল ছাত্তার ও চাঁন্দু মিয়ার বিক্রিত জমি বা ভোক্তভোগিদের জমির সাথে মামুনের কোন সম্পর্ক নাই বলে জানান যায়। মামুনের পিতা নুরুল ইসলাম আর.এস রেকর্ডে ৫৮ শতাংশ সম্পত্তি থেকে ৩৭৯নং দলিলে আক্কাস আলীর নিকট ২৪.৫০ শতাংশ সহ অন্যান্য ব্যক্তির নিকট আরো সম্পত্তি বিক্রয় করেছেন ।

বিপত্তি বাধে ২০২২ সালের শুরুতে গাছ বিক্রি করতে গেলে মামুন ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে গাছ কাটায় বাধা দিয়ে চাঁদা দাবি করে। এ বিষয়ে কাপাসিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গকে সাথে নিয়ে মামুনকে জমির মালিকানা কাগজপত্র দেখাতে বললে সে কোন প্রকার কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। পুলিশ ও এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ মামুনকে বাধা প্রদান থেকে বিরত থাকতে বলেন। মামুনগং বারবার দখলের চেষ্ঠা ও খুন ঘুমের হুমকি প্রদান করতে থাকলে বাধ্য হয়ে ইমারত গাজীপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় মামলা (পি-১২৩/২২) দায়ের করেন। আদালত বিগত ২৭/৪/২২ তারিখে মামুন গংদের মুচলেকা নিয়ে মামলা নিষ্পত্তির আদেশ দেন। আদালতে মামলা করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে মামুন গং পূণরায় জমিতে প্রবেশ করে গাছ কেটে নেয় এবং সীমানা পিলার ভাঙচুর করে জমির অনেক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ইমারতের পক্ষে মেয়ের স্বামী ইকবাল হোসাইন ১৪৫ ধারায় পিটিশন মোকদ্দমা নং-৯৮/২২ মামলা দায়ের করলে আদালত সহকারি কমিশনার (ভূমি) কাপাসিয়ার মাধ্যমে সরেজমিন তদন্ত করে মালিকানা ও দখল নিশ্চিত করে বিগত ৯/১১/২২ তারিখে প্রসেডিং মোকাদ্দমা নং ১৫৮/২২ দ্বারা অভিযুক্তদের জমিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষী হিসেবে আব্দুল ছাত্তারের মেয়ে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে জমি বিক্রয়ের বিষয়টি স্বীকার করে স্বাক্ষ্য প্রমাণ দিয়ে স্বাক্ষর করেছেন।

বিজ্ঞ আদালতের দুইটি আদেশ অমান্য করে মামুনগং একাধিকবার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় লাখ টাকার আঠাল, আকাশি গাছ কেটে যায়। নালিশী জমির চারপাশে ও অন্যান্য জমিতে লাগানো আড়াই থেকে তিন বছর বয়সের ১০০ অধিক সুপারি গাছ সহ অন্যান্য জাতের আনুমানিক কয়েকশত ছাড়া গাছ কেটে ফেলে রাখে ও মামুন নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। প্রত্যেকটি ঘটনা ভোক্তভোগিরা মামুনগংদের বাধা দিতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। প্রত্যেকটি বিষয় ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মোতাহর, বর্তমান সদস্য আফাজ উদ্দিন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রিমা কে বিষয়টি একাধিকবার সরেজমিনে দেখানো হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিষদ থেকে নোটিশ প্রদান, কাপাসিয়া থানায় একাধিক অভিযোগ কর্ণপাত করেনি মামুনগং। এতে ভুক্তভোগী পরিবার কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি, ভোগ দখলীয় জমিটি বেদখলের সম্ভাবনাসহ যে কোন সময় মামুনগং দ্বারা পরিবার সদস্যদের প্রাণ নাশের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান ভোক্তভোগি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মামুনের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করনেনি।

ক্ষমতার ছায়ায় বেপরোয়া মামুন ও তার পরিবারের হাতে জিম্মি হয়ে আছে গ্রামের একাধিক পরিবার। গায়ের জোরে, মামলার ভয়ে আর রাজনৈতিক প্রভাবের অপব্যবহার করে চলছে অন্যায়ের রাজত্ব। প্রশ্ন উঠেছে এই দুঃসহ পরিস্থিতির শেষ কোথায়? চব্বিশে দেশ স্বাধীন হয়েও ন্যায়বিচার কি আর এখনো কেবল কাগজেই থাকবে? নাকি দেশ ও আদালতে ন্যায় বিচার বাস্তবায়ন হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কাপাসিয়ায় শিক্ষকের জমি দখলে মরিয়া মামুন দালতের আদেশ উপেক্ষা করে ভূমি দখলের চেষ্ঠা

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

জাকারিয়া হোসেন হিমেল ঃ

পুত্র সন্তানহীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (অবঃ) শিক্ষকের জমি জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর স্থানীয় যুবলীগ কর্মী, ভূমি দস্যু মামুন (৩৫) ও তার ভাই ছাব্বিরের (২৭) বিরুদ্ধে। সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, মামুন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন মানুষের জমি দখল, মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি, করে আসছে। ইতিপূর্বেও মামুন বিভিন্ন মানুষের জমি জোড় পূর্বক দখল করে রাখার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

ভুক্তভোগী মো. ইমারত (৭০) ও তার স্ত্রী মাজেদা বেগম (৫৭) জানান, তারা বাগেরহাট মৌজার আরএস ১৪৪ খতিয়ানে আর.এস ২৩৯নং দাগে রেকর্ডীয় মালিক আব্দুল ছাত্তারের কাছ থেকে বৈধভাবে রেজিস্ট্রি করিয়া ৯৫৫১ নং দলিলে ৯ শতাংশ ও ১০০৪৫ নং দলিলে ৪.৫০ শতাংশসহ মোট ১৩.৫০ শতাংশ এবং আরেক আর.এস রেকর্ডিয় মালিক চাঁন্দু মিয়ার কাছ থেকে ৯৫৬৬ নং দলিলে ১০.৫০ শতাংশ ও ৮৭৮ নং দলিলে উল্লেখিত খতিয়ানে মাজেদা বেগমের নামে ৩.৫০ শতাংশ সহ মোট ১৪ শতাংশ সর্বমোট ২৭.৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করে ভোগ দখলে থাকেন। পরবর্তী সমেয় ইমারত ৯৫৫১নং দলিলের সম্পত্তি হইতে তার স্ত্রী মাজেদা বেগমকে ৯৫৬৩ দলিলের মাধ্যমে ৪.৫০ শতাংশ সম্পত্তি হেবা দান করেন। ভোগ দখলে থকে বিগত ২০/২/২০১৮ ইং তারিখে এসি ল্যান্ড অফিস হইতে নিজেদের নামে নামজারি জমাভাগ করে ৪৮৪ নম্বর জোত খুলে নিয়মিত সরকারি খাজনা পরিশোধ করে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। রেকর্ড ও কাগজপত্রে দেখা যায়, আব্দুল ছাত্তার ও চাঁন্দু মিয়া উভয়েই মামুনের আপন চাচা ও উভয়েই আর.এস রেকর্ডিয় মালিক। আব্দুল ছাত্তার ও চাঁন্দু মিয়ার বিক্রিত জমি বা ভোক্তভোগিদের জমির সাথে মামুনের কোন সম্পর্ক নাই বলে জানান যায়। মামুনের পিতা নুরুল ইসলাম আর.এস রেকর্ডে ৫৮ শতাংশ সম্পত্তি থেকে ৩৭৯নং দলিলে আক্কাস আলীর নিকট ২৪.৫০ শতাংশ সহ অন্যান্য ব্যক্তির নিকট আরো সম্পত্তি বিক্রয় করেছেন ।

বিপত্তি বাধে ২০২২ সালের শুরুতে গাছ বিক্রি করতে গেলে মামুন ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে গাছ কাটায় বাধা দিয়ে চাঁদা দাবি করে। এ বিষয়ে কাপাসিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গকে সাথে নিয়ে মামুনকে জমির মালিকানা কাগজপত্র দেখাতে বললে সে কোন প্রকার কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। পুলিশ ও এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ মামুনকে বাধা প্রদান থেকে বিরত থাকতে বলেন। মামুনগং বারবার দখলের চেষ্ঠা ও খুন ঘুমের হুমকি প্রদান করতে থাকলে বাধ্য হয়ে ইমারত গাজীপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় মামলা (পি-১২৩/২২) দায়ের করেন। আদালত বিগত ২৭/৪/২২ তারিখে মামুন গংদের মুচলেকা নিয়ে মামলা নিষ্পত্তির আদেশ দেন। আদালতে মামলা করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে মামুন গং পূণরায় জমিতে প্রবেশ করে গাছ কেটে নেয় এবং সীমানা পিলার ভাঙচুর করে জমির অনেক ক্ষয়ক্ষতি করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ইমারতের পক্ষে মেয়ের স্বামী ইকবাল হোসাইন ১৪৫ ধারায় পিটিশন মোকদ্দমা নং-৯৮/২২ মামলা দায়ের করলে আদালত সহকারি কমিশনার (ভূমি) কাপাসিয়ার মাধ্যমে সরেজমিন তদন্ত করে মালিকানা ও দখল নিশ্চিত করে বিগত ৯/১১/২২ তারিখে প্রসেডিং মোকাদ্দমা নং ১৫৮/২২ দ্বারা অভিযুক্তদের জমিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন। তদন্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষী হিসেবে আব্দুল ছাত্তারের মেয়ে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে জমি বিক্রয়ের বিষয়টি স্বীকার করে স্বাক্ষ্য প্রমাণ দিয়ে স্বাক্ষর করেছেন।

বিজ্ঞ আদালতের দুইটি আদেশ অমান্য করে মামুনগং একাধিকবার জমিতে প্রবেশ করে প্রায় লাখ টাকার আঠাল, আকাশি গাছ কেটে যায়। নালিশী জমির চারপাশে ও অন্যান্য জমিতে লাগানো আড়াই থেকে তিন বছর বয়সের ১০০ অধিক সুপারি গাছ সহ অন্যান্য জাতের আনুমানিক কয়েকশত ছাড়া গাছ কেটে ফেলে রাখে ও মামুন নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। প্রত্যেকটি ঘটনা ভোক্তভোগিরা মামুনগংদের বাধা দিতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। প্রত্যেকটি বিষয় ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মোতাহর, বর্তমান সদস্য আফাজ উদ্দিন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রিমা কে বিষয়টি একাধিকবার সরেজমিনে দেখানো হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে একাধিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিষদ থেকে নোটিশ প্রদান, কাপাসিয়া থানায় একাধিক অভিযোগ কর্ণপাত করেনি মামুনগং। এতে ভুক্তভোগী পরিবার কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি, ভোগ দখলীয় জমিটি বেদখলের সম্ভাবনাসহ যে কোন সময় মামুনগং দ্বারা পরিবার সদস্যদের প্রাণ নাশের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান ভোক্তভোগি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মামুনের মোবাইলে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করনেনি।

ক্ষমতার ছায়ায় বেপরোয়া মামুন ও তার পরিবারের হাতে জিম্মি হয়ে আছে গ্রামের একাধিক পরিবার। গায়ের জোরে, মামলার ভয়ে আর রাজনৈতিক প্রভাবের অপব্যবহার করে চলছে অন্যায়ের রাজত্ব। প্রশ্ন উঠেছে এই দুঃসহ পরিস্থিতির শেষ কোথায়? চব্বিশে দেশ স্বাধীন হয়েও ন্যায়বিচার কি আর এখনো কেবল কাগজেই থাকবে? নাকি দেশ ও আদালতে ন্যায় বিচার বাস্তবায়ন হবে।