ঢাকা ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে ১০ হাজার পিচ ইয়াবা সহ দুই নারী আটক  রাজধানীতে বসছে ২৪ অস্থায়ী পশুর হাট, আফতাবনগরে ‘অনিশ্চিত’ যুবসমাজ রক্ষায় মাদককে না বলুন- গাছায় বিএনপির নেতার বিশাল র ্যালি ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিধবাকে ধ/র্ষণ গাজীপুরে গাছায় ১১ পিস ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার গাছা এলার বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন গাজীপুরে টঙ্গীতে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন স্ত্রী গ্রেফতার গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান কে দেখতে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে যান গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃকামাল উদ্দিন। গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান ভাই মহাখালী জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল  ভর্তি আছে সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গাছা প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম

গাজীপুরে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই বর্জ্য অপসারণের কাজ ছেলেকে দেওয়ার অভিযোগ ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪ ৩১৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

গাজীপুরে নিয়ম ভেঙ্গে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কাজ ৩৩ ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ছেলেকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯(২) (জ) লংঘন ও প্রভাব খাটিয়ে সিটি করপোরেশনের ৩৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান তার ছেলে ফাহমিদুর রহমানের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রহম আলী এন্টারপ্রাইজকে বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কাজের দরপত্র পাইয়ে দেন।

ওই ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা মামুনুর রশিদ অভিযোগে আরো বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯(২) (জ) ধারায় বলা হয়েছে ‘কোন ব্যক্তি মেয়র বা কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হইবার জন্য এবং উক্তরূপ  মেয়র বা কাউন্সিলর পদে থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি বা তার পরিবারের কোন সদস্য সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের কার্য সম্পাদনের বা মালামাল সরবরাহের জন্য ঠিকাদার হন বা ইহার জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হন বা সিটি করপোরেশনের কোন বিষয়ে তাহার কোন প্রকার আর্থিক স্বার্থ থাকে বা তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অত্যাবশ্যক কোন দ্রব্যের ডিলার হন।’ তিনি আরো অভিযোগ করেন এ টেন্ডারে আরো কয়েকজন ঠিকাদার অংশ নিতে গেলে স্থানীয় কাউন্সিলরের অনাপত্তি পত্রের প্রয়োজন হয়। কিন্তু কাউন্সিলর মিজানুর রহমান তার ছেলে ছাড়া অন্য কাউকে অনাপত্তি পত্র দেননি। পরে সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সাক্ষরিত এক চিঠিতে কাউন্সিলরের ছেলে ফাহমিদুর রহমানের প্রতিষ্ঠানকে বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমানের মোবাইল ফোনে বার বার ফোন দিলেও তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, আইনের বিষয়টি তার জানা নেই। কোন অভিযোগ পেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুরে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই বর্জ্য অপসারণের কাজ ছেলেকে দেওয়ার অভিযোগ ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

গাজীপুরে নিয়ম ভেঙ্গে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কাজ ৩৩ ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ছেলেকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯(২) (জ) লংঘন ও প্রভাব খাটিয়ে সিটি করপোরেশনের ৩৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান তার ছেলে ফাহমিদুর রহমানের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রহম আলী এন্টারপ্রাইজকে বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কাজের দরপত্র পাইয়ে দেন।

ওই ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা মামুনুর রশিদ অভিযোগে আরো বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯(২) (জ) ধারায় বলা হয়েছে ‘কোন ব্যক্তি মেয়র বা কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হইবার জন্য এবং উক্তরূপ  মেয়র বা কাউন্সিলর পদে থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি বা তার পরিবারের কোন সদস্য সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের কার্য সম্পাদনের বা মালামাল সরবরাহের জন্য ঠিকাদার হন বা ইহার জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হন বা সিটি করপোরেশনের কোন বিষয়ে তাহার কোন প্রকার আর্থিক স্বার্থ থাকে বা তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অত্যাবশ্যক কোন দ্রব্যের ডিলার হন।’ তিনি আরো অভিযোগ করেন এ টেন্ডারে আরো কয়েকজন ঠিকাদার অংশ নিতে গেলে স্থানীয় কাউন্সিলরের অনাপত্তি পত্রের প্রয়োজন হয়। কিন্তু কাউন্সিলর মিজানুর রহমান তার ছেলে ছাড়া অন্য কাউকে অনাপত্তি পত্র দেননি। পরে সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সাক্ষরিত এক চিঠিতে কাউন্সিলরের ছেলে ফাহমিদুর রহমানের প্রতিষ্ঠানকে বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমানের মোবাইল ফোনে বার বার ফোন দিলেও তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, আইনের বিষয়টি তার জানা নেই। কোন অভিযোগ পেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।