ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাউবির এমএসএস প্রোগ্রামে প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীর ডিগ্রি অর্জন গাজীপুরের গাছায় দারুল হেদায়া কওমী মাদ্রাসার ৬ ছাত্রকে বলাৎকার শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেপ্তার মক্কায় মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ বাংলাদেশির নাম প্রকাশ চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন টঙ্গীতে মাদকের বিস্তার, বাড়ছে ছিনতাই-অস্ত্রের ব্যবহার ৯ মাসে ৪০২ মামলা, গ্রেপ্তার ৯৫৬; অভিযানের পরও থামছে না অপরাধ গাজীপুরে গণমাধ্যমকর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি বিআরটিএতে ‘প্রভাবশালী’ মোটরযান পরিদর্শক খ্যাত মামুনুর রশিদ এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ গাজীপুর মহানগরেতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, নির্বিকার সিটি কর্পোরেশন রাজধানীতে নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে অপারেশনের পর মৃত্যু হয় লিজার গাজীপুর টঙ্গীতে মাদক নির্মূলের নামে বস্তি উচ্ছেদের অভিযোগ, বস্তিবাসীর বিক্ষোভ

হাদি হত্যা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি মমতার, আঙুল অমিত শাহের দিকে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬ ১০৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ডেস্ক রিপোর্টঃ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের প্রায় এক মাস পর প্রথম বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার পেছনের অনেক তথ্য তার জানা রয়েছে।

 

মঙ্গলবার কলকাতার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল কংগ্রেস আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট-পরবর্তী সহিংসতা, হকার উচ্ছেদ, নিট পরীক্ষায় অনিয়ম এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তিনি হঠাৎ করেই ওসমান হাদি হত্যার প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন।

মমতার দাবি, হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছিলেন। পরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) তাদের গ্রেপ্তার করে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আলোচিত একটি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আমাদের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল। এরপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আমাকে ফোন করে বিষয়টি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান। বলা হয়েছিল, এটি দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি বিষয়।

সমাবেশে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে মমতা আরও বলেন, কাকে দিয়ে খুন করানো হয়েছিল, কারা এর সঙ্গে জড়িত ছিল—এসব বিষয়ে অনেক কিছুই জানি। এতদিন মুখ খুলিনি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে কিছু কথা বলতে হচ্ছে।

তবে তিনি দাবি করলেও কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নাম প্রকাশ করেননি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি সেই নাম বলতে চাই না। বললে বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি, তাই দেশের স্বার্থে নাম প্রকাশ করছি না।

মমতার এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তার অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তর থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

হাদি হত্যা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি মমতার, আঙুল অমিত শাহের দিকে

আপডেট সময় : ০২:৫৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্টঃ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের প্রায় এক মাস পর প্রথম বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার পেছনের অনেক তথ্য তার জানা রয়েছে।

 

মঙ্গলবার কলকাতার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল কংগ্রেস আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট-পরবর্তী সহিংসতা, হকার উচ্ছেদ, নিট পরীক্ষায় অনিয়ম এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তিনি হঠাৎ করেই ওসমান হাদি হত্যার প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন।

মমতার দাবি, হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে মেঘালয় সীমান্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছিলেন। পরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) তাদের গ্রেপ্তার করে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আলোচিত একটি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আমাদের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল। এরপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আমাকে ফোন করে বিষয়টি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান। বলা হয়েছিল, এটি দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি বিষয়।

সমাবেশে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে মমতা আরও বলেন, কাকে দিয়ে খুন করানো হয়েছিল, কারা এর সঙ্গে জড়িত ছিল—এসব বিষয়ে অনেক কিছুই জানি। এতদিন মুখ খুলিনি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে কিছু কথা বলতে হচ্ছে।

তবে তিনি দাবি করলেও কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নাম প্রকাশ করেননি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি সেই নাম বলতে চাই না। বললে বাংলাদেশে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি, তাই দেশের স্বার্থে নাম প্রকাশ করছি না।

মমতার এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তার অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তর থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।