ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাউবির এমএসএস প্রোগ্রামে প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীর ডিগ্রি অর্জন গাজীপুরের গাছায় দারুল হেদায়া কওমী মাদ্রাসার ৬ ছাত্রকে বলাৎকার শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেপ্তার মক্কায় মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ বাংলাদেশির নাম প্রকাশ চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন টঙ্গীতে মাদকের বিস্তার, বাড়ছে ছিনতাই-অস্ত্রের ব্যবহার ৯ মাসে ৪০২ মামলা, গ্রেপ্তার ৯৫৬; অভিযানের পরও থামছে না অপরাধ গাজীপুরে গণমাধ্যমকর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি বিআরটিএতে ‘প্রভাবশালী’ মোটরযান পরিদর্শক খ্যাত মামুনুর রশিদ এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ গাজীপুর মহানগরেতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, নির্বিকার সিটি কর্পোরেশন রাজধানীতে নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে অপারেশনের পর মৃত্যু হয় লিজার গাজীপুর টঙ্গীতে মাদক নির্মূলের নামে বস্তি উচ্ছেদের অভিযোগ, বস্তিবাসীর বিক্ষোভ

এক রসিদ বিক্রি ১০ জনের কাছে, খাতুনগঞ্জে ৬০০ মধ্যস্বত্বভোগী শনাক্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩ ৬০৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পেঁয়াজসহ কয়েকটি পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে দেশের অন্যতম বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে ৬০০’র বেশি মধ্যস্বত্বভোগীকে শনাক্ত করেছে জেলা প্রশাসন। যারা দাম বৃদ্ধির কারসাজিতে জড়িত। 

অভিযানে দেখা যায়, ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হচ্ছে ১০ জনেরও বেশি মানুষের কাছে

 

রোববার (২১ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুকের নেতৃত্বে বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

এ সময় মূল্যতালিকা না থাকা এবং ক্রয়-বিক্রয় রসিদ সংরক্ষণ না করাসহ নানা অনিয়মের দায়ে বার আওলিয়া ট্রেডার্সকে ৫ হাজার টাকা এবং ফরিদপুর বাণিজ্যালয়কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জাহেদ নামের একজন বেপারীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, বাজারে পাইকারি এবং খুচরা ব্যবসায়ীর মধ্যে মধ্যস্বত্বভোগী একটা সিন্ডিকেট রয়েছে। যারা পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে অনেকাংশে দায়ী। এইখানে ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হয় ১০ জনের অধিকের কাছে। আমরা বিভিন্ন ট্রেডিংয়ের দোকান থেকে ৬০০ এর উপরে মধ্যসত্বভোগীদের নাম এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিয়েছি। যাদের মাধ্যমে একটি পণ্যের দাম হাত বদল হয়ে বাড়তে থাকে। এইখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের পাশাপাশি মিল মালিকদের কারসাজিও আছে। এই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে এদের ট্রেড লাইসেন্স চেকিংসহ পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে আমরা সিন্ডিকেটের কিছু নামের তালিকা সংগ্রহ করেছি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

এক রসিদ বিক্রি ১০ জনের কাছে, খাতুনগঞ্জে ৬০০ মধ্যস্বত্বভোগী শনাক্ত

আপডেট সময় : ০৮:০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ মে ২০২৩

পেঁয়াজসহ কয়েকটি পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে দেশের অন্যতম বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে ৬০০’র বেশি মধ্যস্বত্বভোগীকে শনাক্ত করেছে জেলা প্রশাসন। যারা দাম বৃদ্ধির কারসাজিতে জড়িত। 

অভিযানে দেখা যায়, ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হচ্ছে ১০ জনেরও বেশি মানুষের কাছে

 

রোববার (২১ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুকের নেতৃত্বে বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

এ সময় মূল্যতালিকা না থাকা এবং ক্রয়-বিক্রয় রসিদ সংরক্ষণ না করাসহ নানা অনিয়মের দায়ে বার আওলিয়া ট্রেডার্সকে ৫ হাজার টাকা এবং ফরিদপুর বাণিজ্যালয়কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জাহেদ নামের একজন বেপারীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, বাজারে পাইকারি এবং খুচরা ব্যবসায়ীর মধ্যে মধ্যস্বত্বভোগী একটা সিন্ডিকেট রয়েছে। যারা পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে অনেকাংশে দায়ী। এইখানে ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধুমাত্র একটি ক্রয় রসিদই বিক্রি হয় ১০ জনের অধিকের কাছে। আমরা বিভিন্ন ট্রেডিংয়ের দোকান থেকে ৬০০ এর উপরে মধ্যসত্বভোগীদের নাম এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিয়েছি। যাদের মাধ্যমে একটি পণ্যের দাম হাত বদল হয়ে বাড়তে থাকে। এইখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের পাশাপাশি মিল মালিকদের কারসাজিও আছে। এই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিয়ে এদের ট্রেড লাইসেন্স চেকিংসহ পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, বাজার মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টার সঙ্গে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে আমরা সিন্ডিকেটের কিছু নামের তালিকা সংগ্রহ করেছি।