ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে ১০ হাজার পিচ ইয়াবা সহ দুই নারী আটক  রাজধানীতে বসছে ২৪ অস্থায়ী পশুর হাট, আফতাবনগরে ‘অনিশ্চিত’ যুবসমাজ রক্ষায় মাদককে না বলুন- গাছায় বিএনপির নেতার বিশাল র ্যালি ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিধবাকে ধ/র্ষণ গাজীপুরে গাছায় ১১ পিস ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার গাছা এলার বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন গাজীপুরে টঙ্গীতে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন স্ত্রী গ্রেফতার গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান কে দেখতে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে যান গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃকামাল উদ্দিন। গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান ভাই মহাখালী জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল  ভর্তি আছে সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গাছা প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম

অবৈধ সম্পদের মামলায় ফাঁসলেন স্ত্রীসহ টঙ্গী থানার সাবেক ওসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪ ৩৯৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

প্রায় ৭০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গাজীপুরের টঙ্গী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী রুহুল ইমাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পৃথক দুই মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুদকের গাজীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিম মিয়া বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন। সংস্থাটির উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রথম মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের টঙ্গী থানার সাবেক ওসি গাজী রুহুল ইমামের দাখিল করা সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে ৪৮ লাখ ৮১ হাজার ৫৬০ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৩২ লাখ ২৪ হাজার ৫৪৭ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৮১ লাখ ৬ হাজার ১০৭ টাকার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়।

এছাড়া স্ত্রীকে ঋণ প্রদানসহ তার পারিবারিক ব্যয় পাওয়া যায় ২৯ লাখ ৫৫ হাজার ৭৪০ টাকা। অর্থ্যাৎ ব্যয়সহ তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৬১ হাজার ৮৪৭ টাকা। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে আয় ও ব্যয় মিলিয়ে ৯১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৭২ টাকার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায়। বাকি ১৯ লাখ ৮ হাজার ১৭৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে অর্জন করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে।

অন্যদিকে দ্বিতীয় মামলায় তার স্ত্রী আসমাউল উল্কার সম্পদ যাচাই-বাছাইকালে সব মিলিয়ে ১ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৬৯৫ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। যার মধ্যে  ৫৯ লাখ ৩৬ হাজার ৮০০ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া গেলেও বাকি ৫০ লাখ ৩১ হাজার ৮৯৫ টাকার সম্পদ অর্জনের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। যা মূলত তার স্বামী গাজী রুহুল ইমামের ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত অবৈধ আয়ের মাধ্যমে তিনি মালিকানা অর্জন করেছেন। যে কারণে স্ত্রী আসমার পাশাপাশি স্বামী সাবেক ওসিকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারা ও দন্ডবিধির ১০৯ ধারা অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পুলিশের ওই দম্পতির বিরুদ্ধে একই বিষয়ে ২০২২ সালের আগস্টে দুদক থেকে মামলা অনুমোদন হয়েছিল। কিন্তু দুদকের এখতিয়ারকে চ্যালেঞ্জ করে এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট দাখিল হলে, দীর্ঘদিন মামলার বিষয়টি স্থগিত ছিল। রিট নিস্পত্তি হওয়ার পর আদালতে নির্দেশনা অনুসরণ করে অনুসন্ধান পুনরায় শুরু হওয়ার পর আজ মামলা দুটি দায়ের করে দুদক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

অবৈধ সম্পদের মামলায় ফাঁসলেন স্ত্রীসহ টঙ্গী থানার সাবেক ওসি

আপডেট সময় : ০১:৫৯:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

প্রায় ৭০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গাজীপুরের টঙ্গী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী রুহুল ইমাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পৃথক দুই মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুদকের গাজীপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিম মিয়া বাদী হয়ে মামলা দুটি দায়ের করেন। সংস্থাটির উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রথম মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের টঙ্গী থানার সাবেক ওসি গাজী রুহুল ইমামের দাখিল করা সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে ৪৮ লাখ ৮১ হাজার ৫৬০ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৩২ লাখ ২৪ হাজার ৫৪৭ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৮১ লাখ ৬ হাজার ১০৭ টাকার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়।

এছাড়া স্ত্রীকে ঋণ প্রদানসহ তার পারিবারিক ব্যয় পাওয়া যায় ২৯ লাখ ৫৫ হাজার ৭৪০ টাকা। অর্থ্যাৎ ব্যয়সহ তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৬১ হাজার ৮৪৭ টাকা। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে আয় ও ব্যয় মিলিয়ে ৯১ লাখ ৫৩ হাজার ৬৭২ টাকার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায়। বাকি ১৯ লাখ ৮ হাজার ১৭৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূতভাবে অর্জন করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে।

অন্যদিকে দ্বিতীয় মামলায় তার স্ত্রী আসমাউল উল্কার সম্পদ যাচাই-বাছাইকালে সব মিলিয়ে ১ কোটি ৯ লাখ ৬৮ হাজার ৬৯৫ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। যার মধ্যে  ৫৯ লাখ ৩৬ হাজার ৮০০ টাকার সম্পদের বৈধ উৎস পাওয়া গেলেও বাকি ৫০ লাখ ৩১ হাজার ৮৯৫ টাকার সম্পদ অর্জনের বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। যা মূলত তার স্বামী গাজী রুহুল ইমামের ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত অবৈধ আয়ের মাধ্যমে তিনি মালিকানা অর্জন করেছেন। যে কারণে স্ত্রী আসমার পাশাপাশি স্বামী সাবেক ওসিকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ধারা ও দন্ডবিধির ১০৯ ধারা অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, পুলিশের ওই দম্পতির বিরুদ্ধে একই বিষয়ে ২০২২ সালের আগস্টে দুদক থেকে মামলা অনুমোদন হয়েছিল। কিন্তু দুদকের এখতিয়ারকে চ্যালেঞ্জ করে এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট দাখিল হলে, দীর্ঘদিন মামলার বিষয়টি স্থগিত ছিল। রিট নিস্পত্তি হওয়ার পর আদালতে নির্দেশনা অনুসরণ করে অনুসন্ধান পুনরায় শুরু হওয়ার পর আজ মামলা দুটি দায়ের করে দুদক।