ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে ১০ হাজার পিচ ইয়াবা সহ দুই নারী আটক  রাজধানীতে বসছে ২৪ অস্থায়ী পশুর হাট, আফতাবনগরে ‘অনিশ্চিত’ যুবসমাজ রক্ষায় মাদককে না বলুন- গাছায় বিএনপির নেতার বিশাল র ্যালি ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিধবাকে ধ/র্ষণ গাজীপুরে গাছায় ১১ পিস ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার গাছা এলার বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন গাজীপুরে টঙ্গীতে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন স্ত্রী গ্রেফতার গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান কে দেখতে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে যান গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃকামাল উদ্দিন। গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান ভাই মহাখালী জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল  ভর্তি আছে সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গাছা প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম

গাজীপুরের গাছা থানার ওসির বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রের মামলা বাণিজ্য’র অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

গাজীপুর মহানগরের গাছা থানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এক মামলায় এজাহার নামীয় আসামি ছিলেন ৫২ জন। কিন্তু থানায় সেই এজাহার পরিবর্তন করে আসামি করা হয়েছে ১১৮ জনকে। পরিবর্তিত এজাহারে বর্ণিত প্রায় এক ডজন আসামি বাদে বাকি কাউকে চিনেন না বাদী। থানায় এক প্রকার জোর করে নতুন এজাহারে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ বাদীর।

মঙ্গলবার দুপুরে টঙ্গী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে গাছা থানার মামলা নং- ২৫ (৪) ২০২৫ এর বাদী জুলাই যোদ্ধা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের স্থানীয় নেতা টঙ্গী তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থী সালাউদ্দিন সাদিক এই অভিযোগ করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গাছা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ এজাহার থেকে প্রকৃত আসামিদের নাম বাদ দিয়ে নিরীহ ও নির্দোষ মানুষকে আসামি করে স্থানীয় যুবলীগ নেতাদের সহযোগিতায় মোটা অঙ্কের ঘুস বাণিজ্য করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে সালাউদ্দিন সাদিক জুলাই-আগস্টের রক্তাক্ত স্মৃতি তুলে ধরে আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টর আধুনিক হাসপাতালের সামনের গলিতে শহিদ রেদওয়ান শরীফ রিয়াদ মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আমার কোলে শহিদ হন। ওই দিন রিয়াদের রক্তে আমার পুরো শরীর ভিজে গিয়েছিল এবং রক্তে ভিজে থাকা পোশাক পরে প্রায় ছয় ঘণ্টা আমি অতিবাহিত করি। আমার মা সেই ঘটনার সাক্ষী, তিনি সেই রক্তভেজা পোশাক ধুয়ে পরিষ্কার করেছিলেন।

এরপর দিন ২০ জুলাই হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথার বাম পাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসীরা। ৫ আগস্টের স্বৈরাচারীর পতনের পর থেকে আমার জীবনযাপনটা অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে, নিজের চোখে দেখা জুলাইয়ের প্রত্যেকটি নির্মম ঘটনার স্মৃতি বারবার মনে পড়ে। সেই অনুভূতিগুলোই আমার স্বাভাবিক জীবনযাপনকে বাধাগ্রস্ত করে, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমার পড়ালেখা। এমনকি নিজের জীবনের স্বপ্ন পূরণের কথা ভুলে গিয়ে শুধুমাত্র জুলাইয়ের স্মৃতি ধারণ করে চলতে থাকে আমার প্রতিটি দিন।

জুলাইয়ের এই নির্মম ঘটনাগুলোর সঙ্গে যারা জড়িত তাদের ন্যূনতম হলেও কোন শাস্তির ব্যবস্থাটুকু না করে স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে যাওয়াটা আমার পক্ষে অসম্ভব ছিল। আমার মূল উদ্দেশ্য ছিল, জুলাইয়ে যে সকল সন্ত্রাসীরা জড়িত ছিল তাদের শাস্তির জন্য একটা প্রশাসনিক ব্যবস্থা করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসব। সেই উদ্দেশ্যে আমি সাংগঠনিক কাউকে কিছু না জানিয়ে ব্যক্তিগতভাবে ৫২ জন সন্ত্রাসীকে শনাক্ত করি। যারা জুলাই অভ্যুত্থানে সরাসরি আমার দেখা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ছিল।

এই ৫২ জনকে আসামি করে একটা মামলা করার উদ্দেশ্যে গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদের কাছে যাই। আমি নিজে বাদী হয়ে ২৫(৪) ২০২৫ নং মামলাটি ৫২ জন আসামিকে অভিযুক্ত করে করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গাছার ওসি এবং যুবলীগ নেতা-কর্মীরা চক্রান্ত করে মামলাটি নিজেদের মত করে সাজিয়ে আমাকে জিম্মি করে ১১৮ জনকে আসামি করেছে। যাদের মধ্যে প্রায় ৯০ জন আসামিকেই আমি চিনি না। আমি যে ৫২ জন আসামির নামে মামলা করতে চেয়েছিলাম তাদের অনেকের কাছ থেকেই মোটা অংকের ঘুস নিয়ে মামলা থেকে বাদ দেন ওসি।

অপরদিকে যাদের আসামি করা হয়েছে তাদের মধ্যে অনেক সাধারণ নিরপরাধ নির্দোষ মানুষকে ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে তারা আসামি করেছে। আমি প্রতিবাদ করায় এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করায় ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ এবং ওই যুবলীগের কর্মীরা আমার বিভিন্ন রকম ক্ষতি করার জন্য নানান ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। এমনকি ফোনে আমাকে হত্যরা হুমকি দিচ্ছে। আমাকে ফোন করে জানতে চাওয়া হচ্ছে কত টাকার বিনিময়ে আমি চুপ হয়ে যাব। এসবের মাস্টারমাইন্ড হচ্ছেন স্বৈরাচারীর দোসর গাছা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ।

এসব ঘটনা আমি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতল কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। এছাড়া আমি নিজে বাদী হয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর একটা অভিযোগ দায়ের করেছি। ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ প্রত্যেকটা ব্যাপারেই অনিয়ম এবং দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। আমার সাথেও তিনি একই আচরণ করার পরে আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে নিয়ে রিচার্জ করেছি এবং দুই তিনটা স্পষ্ট প্রমাণসহ তার অপকর্মের রেকর্ড পেয়েছি।

এ ব্যাপারে গাছা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তা বাদির সম্মতিতেই করা হয়। মামলার কপিতে যাদের আসামি করা হয়েছে তাদের নাম ঠিকানা দেখেই তিনি মামলায় স্বাক্ষর করেছেন। আমি আসামিদের কাউকে চিনি না। এখন তিনি যে অভিযোগ করছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুরের গাছা থানার ওসির বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রের মামলা বাণিজ্য’র অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

গাজীপুর মহানগরের গাছা থানায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এক মামলায় এজাহার নামীয় আসামি ছিলেন ৫২ জন। কিন্তু থানায় সেই এজাহার পরিবর্তন করে আসামি করা হয়েছে ১১৮ জনকে। পরিবর্তিত এজাহারে বর্ণিত প্রায় এক ডজন আসামি বাদে বাকি কাউকে চিনেন না বাদী। থানায় এক প্রকার জোর করে নতুন এজাহারে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ বাদীর।

মঙ্গলবার দুপুরে টঙ্গী প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে গাছা থানার মামলা নং- ২৫ (৪) ২০২৫ এর বাদী জুলাই যোদ্ধা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের স্থানীয় নেতা টঙ্গী তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থী সালাউদ্দিন সাদিক এই অভিযোগ করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গাছা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ এজাহার থেকে প্রকৃত আসামিদের নাম বাদ দিয়ে নিরীহ ও নির্দোষ মানুষকে আসামি করে স্থানীয় যুবলীগ নেতাদের সহযোগিতায় মোটা অঙ্কের ঘুস বাণিজ্য করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে সালাউদ্দিন সাদিক জুলাই-আগস্টের রক্তাক্ত স্মৃতি তুলে ধরে আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টর আধুনিক হাসপাতালের সামনের গলিতে শহিদ রেদওয়ান শরীফ রিয়াদ মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আমার কোলে শহিদ হন। ওই দিন রিয়াদের রক্তে আমার পুরো শরীর ভিজে গিয়েছিল এবং রক্তে ভিজে থাকা পোশাক পরে প্রায় ছয় ঘণ্টা আমি অতিবাহিত করি। আমার মা সেই ঘটনার সাক্ষী, তিনি সেই রক্তভেজা পোশাক ধুয়ে পরিষ্কার করেছিলেন।

এরপর দিন ২০ জুলাই হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথার বাম পাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাসীরা। ৫ আগস্টের স্বৈরাচারীর পতনের পর থেকে আমার জীবনযাপনটা অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে, নিজের চোখে দেখা জুলাইয়ের প্রত্যেকটি নির্মম ঘটনার স্মৃতি বারবার মনে পড়ে। সেই অনুভূতিগুলোই আমার স্বাভাবিক জীবনযাপনকে বাধাগ্রস্ত করে, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমার পড়ালেখা। এমনকি নিজের জীবনের স্বপ্ন পূরণের কথা ভুলে গিয়ে শুধুমাত্র জুলাইয়ের স্মৃতি ধারণ করে চলতে থাকে আমার প্রতিটি দিন।

জুলাইয়ের এই নির্মম ঘটনাগুলোর সঙ্গে যারা জড়িত তাদের ন্যূনতম হলেও কোন শাস্তির ব্যবস্থাটুকু না করে স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে যাওয়াটা আমার পক্ষে অসম্ভব ছিল। আমার মূল উদ্দেশ্য ছিল, জুলাইয়ে যে সকল সন্ত্রাসীরা জড়িত ছিল তাদের শাস্তির জন্য একটা প্রশাসনিক ব্যবস্থা করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসব। সেই উদ্দেশ্যে আমি সাংগঠনিক কাউকে কিছু না জানিয়ে ব্যক্তিগতভাবে ৫২ জন সন্ত্রাসীকে শনাক্ত করি। যারা জুলাই অভ্যুত্থানে সরাসরি আমার দেখা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ছিল।

এই ৫২ জনকে আসামি করে একটা মামলা করার উদ্দেশ্যে গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদের কাছে যাই। আমি নিজে বাদী হয়ে ২৫(৪) ২০২৫ নং মামলাটি ৫২ জন আসামিকে অভিযুক্ত করে করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গাছার ওসি এবং যুবলীগ নেতা-কর্মীরা চক্রান্ত করে মামলাটি নিজেদের মত করে সাজিয়ে আমাকে জিম্মি করে ১১৮ জনকে আসামি করেছে। যাদের মধ্যে প্রায় ৯০ জন আসামিকেই আমি চিনি না। আমি যে ৫২ জন আসামির নামে মামলা করতে চেয়েছিলাম তাদের অনেকের কাছ থেকেই মোটা অংকের ঘুস নিয়ে মামলা থেকে বাদ দেন ওসি।

অপরদিকে যাদের আসামি করা হয়েছে তাদের মধ্যে অনেক সাধারণ নিরপরাধ নির্দোষ মানুষকে ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে তারা আসামি করেছে। আমি প্রতিবাদ করায় এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করায় ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ এবং ওই যুবলীগের কর্মীরা আমার বিভিন্ন রকম ক্ষতি করার জন্য নানান ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। এমনকি ফোনে আমাকে হত্যরা হুমকি দিচ্ছে। আমাকে ফোন করে জানতে চাওয়া হচ্ছে কত টাকার বিনিময়ে আমি চুপ হয়ে যাব। এসবের মাস্টারমাইন্ড হচ্ছেন স্বৈরাচারীর দোসর গাছা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ।

এসব ঘটনা আমি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতল কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। এছাড়া আমি নিজে বাদী হয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর একটা অভিযোগ দায়ের করেছি। ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদ প্রত্যেকটা ব্যাপারেই অনিয়ম এবং দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। আমার সাথেও তিনি একই আচরণ করার পরে আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে নিয়ে রিচার্জ করেছি এবং দুই তিনটা স্পষ্ট প্রমাণসহ তার অপকর্মের রেকর্ড পেয়েছি।

এ ব্যাপারে গাছা থানার ওসি আলী মোহাম্মদ রাশেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওই মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তা বাদির সম্মতিতেই করা হয়। মামলার কপিতে যাদের আসামি করা হয়েছে তাদের নাম ঠিকানা দেখেই তিনি মামলায় স্বাক্ষর করেছেন। আমি আসামিদের কাউকে চিনি না। এখন তিনি যে অভিযোগ করছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।