গাজীপুরে বিএনপির কার্যালয়ে হা*ম*লা ও ভাংচুরের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ
গাজীপুরের গাছা এলাকায় ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কার্যালয় ও এক নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযােগ উঠেছে। ভুক্তভাগীদের দাবি, এ হামলায় নিষিদ্ধ ঘােষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর স্থানীয় নেতাকর্মীরা জড়িত। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে গাছা এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা শিবলুর নেতৃত্বে ৭০ থেকে ৮০ জনের একটি দল গাছা থানা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোে. শাহীন মিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানে ভাঙচুর করে। পরে তারা পাশের বিএনপি কার্যালয় প্রবেশ করে ব্যাপক তাণব চালায়।

অভিযােগ রয়েছে, হামলার সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি ভাঙচুর করা হয়। একই সঙ্গে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকা নগদ, একটি ৫৬ ইঞ্চ টেলিভিশনসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয়দের দাবি, পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা ও ইন্টারনেট সংযোেগ বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোেধ চলছিল। সেই বিরােধের জের ধরেই এ হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভােগী শাহীন মিয়া জানান, তিনি প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও অনুমােদন নিয়ে বৈধভাবে ইন্টারনেট ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। একটি প্রভাবশালী মহল দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিতে চাপ দিয়ে আসছিল। সেই দাবি মানতে অস্বীকৃতি জানানােয় প্রথমে তার দোকানে এবং পরে দলীয় কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোে হয় বলে তিনি অভিযােগ করেন।
তিনি এ ঘটনায় গাছা থানায় লিখিত অভিযোেগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ সময় সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহসহ বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়েছে। গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাে. মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ থেকে সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লিখিত অভিযােগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর এলাকায় আতস্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের কয়েকটি দোকান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়নত্রণে রাখতে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।










