ঢাকা ০৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাউবির এমএসএস প্রোগ্রামে প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীর ডিগ্রি অর্জন গাজীপুরের গাছায় দারুল হেদায়া কওমী মাদ্রাসার ৬ ছাত্রকে বলাৎকার শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেপ্তার মক্কায় মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ বাংলাদেশির নাম প্রকাশ চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন টঙ্গীতে মাদকের বিস্তার, বাড়ছে ছিনতাই-অস্ত্রের ব্যবহার ৯ মাসে ৪০২ মামলা, গ্রেপ্তার ৯৫৬; অভিযানের পরও থামছে না অপরাধ গাজীপুরে গণমাধ্যমকর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি বিআরটিএতে ‘প্রভাবশালী’ মোটরযান পরিদর্শক খ্যাত মামুনুর রশিদ এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ গাজীপুর মহানগরেতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, নির্বিকার সিটি কর্পোরেশন রাজধানীতে নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে অপারেশনের পর মৃত্যু হয় লিজার গাজীপুর টঙ্গীতে মাদক নির্মূলের নামে বস্তি উচ্ছেদের অভিযোগ, বস্তিবাসীর বিক্ষোভ

গাজীপুরে বিএনপির ছত্রছায়ায় ঈদগাহ কমিটির আ’লীগ নেতারা

বাসন প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ কমিটির নাম ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্থানীয় নেতা হাজী শহিদুল ইসলাম সরকার ও ফজলুল হক সরকারের বিরুদ্ধে। পটপরিবর্তনের পর অভিযুক্তরা বর্তমানে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে বহাল তবিয়তে থাকার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা ও সক্রিয় কর্মী হাজী শহিদুল ইসলাম সরকার (পিতা: হাজী আব্দুস সোবাহান সরকার) এবং ফজলুল হক সরকার বিগত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। সে সময় তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান এবং সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে তাঁদের সুসম্পর্ক ছিল। সেই রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তারা চান্দনা চৌরাস্তা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ ও মসজিদ কমিটির উন্নয়নকাজের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঈদগাহ মাঠ কমিটির এক সদস্য অভিযোগ করে বলেন, “হাজী শহিদুল ইসলাম ও ফজলুল হক সাবেক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ক্ষমতার দাপটে তাঁরা এতদিন ঈদগাহ ও মসজিদ কমিটির নামে নয়ছয় করেছেন। এখন আবার রাজনৈতিক খোলস বদলে বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় ভিড়ে একই কমিটির পদ আকড়ে রেখে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন।”

তিনি আরও জানান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও ঈদগাহ কমিটির বর্তমান সভাপতি শওকত হোসেন সরকারসহ দায়িত্বশীলদের প্রতি তাঁদের আহ্বান—চাঁদাবাজি ও অর্থ আত্মসাতে অভিযুক্ত এই দুই ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে কমিটির সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুরে বিএনপির ছত্রছায়ায় ঈদগাহ কমিটির আ’লীগ নেতারা

আপডেট সময় : ০৩:০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ কমিটির নাম ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্থানীয় নেতা হাজী শহিদুল ইসলাম সরকার ও ফজলুল হক সরকারের বিরুদ্ধে। পটপরিবর্তনের পর অভিযুক্তরা বর্তমানে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে বহাল তবিয়তে থাকার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা ও সক্রিয় কর্মী হাজী শহিদুল ইসলাম সরকার (পিতা: হাজী আব্দুস সোবাহান সরকার) এবং ফজলুল হক সরকার বিগত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। সে সময় তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খান এবং সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে তাঁদের সুসম্পর্ক ছিল। সেই রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তারা চান্দনা চৌরাস্তা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ ও মসজিদ কমিটির উন্নয়নকাজের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঈদগাহ মাঠ কমিটির এক সদস্য অভিযোগ করে বলেন, “হাজী শহিদুল ইসলাম ও ফজলুল হক সাবেক মন্ত্রী মোজাম্মেল হকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ক্ষমতার দাপটে তাঁরা এতদিন ঈদগাহ ও মসজিদ কমিটির নামে নয়ছয় করেছেন। এখন আবার রাজনৈতিক খোলস বদলে বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় ভিড়ে একই কমিটির পদ আকড়ে রেখে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন।”

তিনি আরও জানান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও ঈদগাহ কমিটির বর্তমান সভাপতি শওকত হোসেন সরকারসহ দায়িত্বশীলদের প্রতি তাঁদের আহ্বান—চাঁদাবাজি ও অর্থ আত্মসাতে অভিযুক্ত এই দুই ব্যক্তিকে অনতিবিলম্বে কমিটির সব ধরনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।