ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে ১০ হাজার পিচ ইয়াবা সহ দুই নারী আটক  রাজধানীতে বসছে ২৪ অস্থায়ী পশুর হাট, আফতাবনগরে ‘অনিশ্চিত’ যুবসমাজ রক্ষায় মাদককে না বলুন- গাছায় বিএনপির নেতার বিশাল র ্যালি ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিধবাকে ধ/র্ষণ গাজীপুরে গাছায় ১১ পিস ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার গাছা এলার বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন গাজীপুরে টঙ্গীতে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন স্ত্রী গ্রেফতার গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান কে দেখতে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে যান গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃকামাল উদ্দিন। গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান ভাই মহাখালী জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল  ভর্তি আছে সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গাছা প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম

ডঃ ইউনুসের ১১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণের বোঝা বিএনপির ঘাড়ে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশেষ প্রতিবেদনঃ

ডঃ ইউনুস যখন ক্ষমতা ছাড়েন সেই ঋণ বেড়ে দাঁড়ায় ১১৩ বিলিয়ন ডলার । অর্থাৎ ১১ হাজার ৩০০ কোটি ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়েই বিএনপিকে ক্ষমতা গ্রহণ করতে হয়েছে।
গত ২০০৬ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতা ছাড়ে তখন ঋণ ছিল প্রায় ১,৯০০ কোটি টাকা। এই ১,৯০০ কোটি ঋণের বোঝা বহন করতে গিয়ে তত্বাবোধায়ক সরকার জনাব ফখরুদ্দিন সাহেব আরো প্রায় ৩ লক্ষ কোটি টাকা মতো ঋণ করে। যে কারণে ২০০৯ সালে ফখরুদ্দিন সাহেব যখন ক্ষমতা হস্তান্তর করে তখন শেখ হাসিনাকে ২,২০০ কোটি  ডলারের ১৫ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা ঋণের বোঝা কাঁধে নিতে হয়েছিল। গত ১৭ বছরে আওয়ামীলীগ সরকার আরো ৮৮ বিলিয়ন ডলার ১০ লাখ ৭৩ হাজার কোটি ঋণ করে যে কারণে ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১০৩ বিলিয়ন ডলারে। শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে যাওয়ার পর গত দেড় বছরে ডঃ ইউনুস সাহেব আরো ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ করায় আগামী জুন মাসে ঋণের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ১১৩ বিলিয়ন ডলারে।

ডঃ ইউনুস কোন নতৃন প্রজেক্ট হাতে নেয় নাই তারপরও কেন তাকে ঋণ নিতে হলো এই প্রশ্নটা সবার মনেই দেখা দিতে পারে। আসলে তিনি ইচ্ছা করে এই ঋণ নেন নাই। আওয়ামীলীগ সরকারের মেগা প্রজেক্টের ঋণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গিয়েই ঋণ গ্রহণ করতে হয়েছে। কারণ মেগা প্রজেক্টের জন্য যখন ঋণ বরাদ্দ হয় তখন সব টাকা একবারে দেয়া হয় না। কাজের অগ্রগতির উপর নির্ভর করেই বছর বছর কিস্তিতে এই টাকা প্রদান করা হয়। যেহেতু মেট্রো রেল, ঢাকা রংপুর চার লেনের হাইওয়ে রাস্তা নির্মাণ, ঢাকা আশুলিয়া উড়াল সড়ক নির্মাণ, তৃতীয় বিমান টার্মিনাল নির্মাণ, পদ্মা সেতু হয়ে ভাঙার রেল লাইন নির্মাণ, যমুনা রেল সেতু নির্মাণ সহ আরো যেসব মেগা প্রজেক্ট আছে এই কাজ গুলো কোনটাই পরিপূর্ণ সমাপ্ত হয় নাই। যেহেতু এই কাজগুলো চলোমান আছে এবং কোনটা ৪০% কোনটা ৫০% বা ৯৫% পার্সেন্ট কাজ হয়েছে এই অবস্থায় কাজগুলো বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের বিপুল অর্থ ক্ষতির মুখে পড়ে যাবে। কারণ প্রজেক্টগুলো শুরু হয়েছে এবং সেই প্রজেক্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করার কারণেই ডঃ ইউনুসকে শেখ হাসিনার করা ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ঋণ গ্রহণ করতে হয়েছে।

এখনো মেগা প্রজেক্টগুলোর কাজ সমাপ্ত হয় নাই কোনটা অর্ধেক হয়ে আছে আবার কোনটা শেষের দিকে। এই প্রজেক্টগুলোর কাজ পুরোপুরি সমাপ্ত করতে শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া চুক্তি অনুযায়ী আরো ৪৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিতে হবে। অর্থাৎ ১১৩ বিলিয়ন ডলার সহ আরো ৪৫ বিলিয়ন ডলার যোগ হয়ে বিএনপিকে মোট ১৫৮ বিলিয়ন ডলার ঋণের বোঝা টানতে হবে এবং সেই সাথে টানতে হবে লস প্রজেক্ট। অনেক প্রজেক্টে যে পরিমাণ আয় কাগজে কলমে দেখানো হয়েছে সেই পরিমাণ আয় হয় না। যেমন পদ্মা রেল সেতুতে আয় হওয়ার কথা ১৪০০ শত কোটি টাকা সেখানে আয় হয়েছে মাত্র ২৬ কোটি টাকা। আয় হোক বা না হোক ঋণের কিস্তির মাপ নাই, এটা বাংলাদেশকে পরিশোধ করতেই হবে। এই বিশাল অঙ্কের ঋণের বোঝা নিয়ে বিএনপি কিভাবে সামনে আগাবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডঃ ইউনুসের ১১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণের বোঝা বিএনপির ঘাড়ে

আপডেট সময় : ০২:৪৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশেষ প্রতিবেদনঃ

ডঃ ইউনুস যখন ক্ষমতা ছাড়েন সেই ঋণ বেড়ে দাঁড়ায় ১১৩ বিলিয়ন ডলার । অর্থাৎ ১১ হাজার ৩০০ কোটি ঋণের বোঝা কাঁধে নিয়েই বিএনপিকে ক্ষমতা গ্রহণ করতে হয়েছে।
গত ২০০৬ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতা ছাড়ে তখন ঋণ ছিল প্রায় ১,৯০০ কোটি টাকা। এই ১,৯০০ কোটি ঋণের বোঝা বহন করতে গিয়ে তত্বাবোধায়ক সরকার জনাব ফখরুদ্দিন সাহেব আরো প্রায় ৩ লক্ষ কোটি টাকা মতো ঋণ করে। যে কারণে ২০০৯ সালে ফখরুদ্দিন সাহেব যখন ক্ষমতা হস্তান্তর করে তখন শেখ হাসিনাকে ২,২০০ কোটি  ডলারের ১৫ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা ঋণের বোঝা কাঁধে নিতে হয়েছিল। গত ১৭ বছরে আওয়ামীলীগ সরকার আরো ৮৮ বিলিয়ন ডলার ১০ লাখ ৭৩ হাজার কোটি ঋণ করে যে কারণে ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ১০৩ বিলিয়ন ডলারে। শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে যাওয়ার পর গত দেড় বছরে ডঃ ইউনুস সাহেব আরো ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ করায় আগামী জুন মাসে ঋণের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ১১৩ বিলিয়ন ডলারে।

ডঃ ইউনুস কোন নতৃন প্রজেক্ট হাতে নেয় নাই তারপরও কেন তাকে ঋণ নিতে হলো এই প্রশ্নটা সবার মনেই দেখা দিতে পারে। আসলে তিনি ইচ্ছা করে এই ঋণ নেন নাই। আওয়ামীলীগ সরকারের মেগা প্রজেক্টের ঋণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গিয়েই ঋণ গ্রহণ করতে হয়েছে। কারণ মেগা প্রজেক্টের জন্য যখন ঋণ বরাদ্দ হয় তখন সব টাকা একবারে দেয়া হয় না। কাজের অগ্রগতির উপর নির্ভর করেই বছর বছর কিস্তিতে এই টাকা প্রদান করা হয়। যেহেতু মেট্রো রেল, ঢাকা রংপুর চার লেনের হাইওয়ে রাস্তা নির্মাণ, ঢাকা আশুলিয়া উড়াল সড়ক নির্মাণ, তৃতীয় বিমান টার্মিনাল নির্মাণ, পদ্মা সেতু হয়ে ভাঙার রেল লাইন নির্মাণ, যমুনা রেল সেতু নির্মাণ সহ আরো যেসব মেগা প্রজেক্ট আছে এই কাজ গুলো কোনটাই পরিপূর্ণ সমাপ্ত হয় নাই। যেহেতু এই কাজগুলো চলোমান আছে এবং কোনটা ৪০% কোনটা ৫০% বা ৯৫% পার্সেন্ট কাজ হয়েছে এই অবস্থায় কাজগুলো বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের বিপুল অর্থ ক্ষতির মুখে পড়ে যাবে। কারণ প্রজেক্টগুলো শুরু হয়েছে এবং সেই প্রজেক্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছে। বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করার কারণেই ডঃ ইউনুসকে শেখ হাসিনার করা ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ঋণ গ্রহণ করতে হয়েছে।

এখনো মেগা প্রজেক্টগুলোর কাজ সমাপ্ত হয় নাই কোনটা অর্ধেক হয়ে আছে আবার কোনটা শেষের দিকে। এই প্রজেক্টগুলোর কাজ পুরোপুরি সমাপ্ত করতে শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া চুক্তি অনুযায়ী আরো ৪৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিতে হবে। অর্থাৎ ১১৩ বিলিয়ন ডলার সহ আরো ৪৫ বিলিয়ন ডলার যোগ হয়ে বিএনপিকে মোট ১৫৮ বিলিয়ন ডলার ঋণের বোঝা টানতে হবে এবং সেই সাথে টানতে হবে লস প্রজেক্ট। অনেক প্রজেক্টে যে পরিমাণ আয় কাগজে কলমে দেখানো হয়েছে সেই পরিমাণ আয় হয় না। যেমন পদ্মা রেল সেতুতে আয় হওয়ার কথা ১৪০০ শত কোটি টাকা সেখানে আয় হয়েছে মাত্র ২৬ কোটি টাকা। আয় হোক বা না হোক ঋণের কিস্তির মাপ নাই, এটা বাংলাদেশকে পরিশোধ করতেই হবে। এই বিশাল অঙ্কের ঋণের বোঝা নিয়ে বিএনপি কিভাবে সামনে আগাবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।