মির্জাপুরে আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ নানান অপকর্মের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০২:১৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪ ১৯৪ বার পড়া হয়েছে

জাকারিয়া হোসেনঃ
মির্জাপুর উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য শরীফুর রহমান শরিফের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ও স্থানীয় ব্যাবসায়ীর নিকট থেকে ১০ লাখ টাকার চাঁদা দাবি সহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে।
সরকার পতনের আগের দিন ৪ আগষ্ট বিকাল বেলা উপজেলার গোড়াই হাইওয়ে থানায় হামলা ও ভাঙ্গচুর করতে যায় আন্দোলনকারীরা।পরে সেখানে পুলিশ সহ বহিরাগতরা ছররা গুলি চালায়।গুরুতর আহত হয়ে ইমন নামের এক ছাত্রকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।তার কিছুদিন পর মারা যায় ইমন।সেই মামলার আসামি হন শরিফুর রহমান।স্থানীয়দের ধারনা সেখানে অস্ত্র হাতে ছিলেন এই শরীফুর রহমান এবং সে অস্ত্রের ব্যাবহার করে বলে স্থানীয়রা জানান। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় শরিফুর রহমান তরফপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হামলা,মামলা,করে টাকা পয়সা আত্মসাৎ করত বলেও জানা যায়।
ব্যাবসায়ীর অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় কোর্টে মামলা চলমান।কিন্তু আসামি শরীফুর রহমান শরীফ ধরাছোঁয়ার বাইরে।
ব্যাবসায়ী হাজী শাহাবুদ্দিন সহ স্থানীয়রা বলেন,তরফপুর ইউনিয়নের অনেক মানুষ তার কাছে নির্যাতিত হয়েছে তার মধ্যে লাকিব,আজিজ রেজা, ধানচালার শওকত মোমেন,তরফপুরের নাজিম মেম্বার, এদের উপরেও আক্রমণ করেছে । সাধারণত জনগণের কাছে চাঁদা দাবি, কেউ কথা না শুনলে তার উপর ক্ষমতা প্রয়োগ করতো প্রশাসনে কে কাজে লাগিয়ে । তার কিছু হোন্ডা বাহিনী নিয়ে এলাকায় রাজত্ব চালাইত। গত ৫ ই আগস্ট সরকার পতন হওয়ার পর শরিফের হোন্ডা বাহিনী দিয়ে ৮ ই আগস্ট তরফপুর ইউনিয়নের গাজেশ্বরীর ইজ্জত আলীর জনির অফিস ভাঙচুর করে তিন চার লাখ টাকার মালামাল,ওয়াইফাই নেট কানেকশন বন্ধ করে , নগদ অর্থ হাতিয়ে নেয়। এতে পাথরঘাটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।ফলে সাধারণ জনগণ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
এবিষয়ে ইজ্জত আলী জনি বলেন, শরিফ আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করলে আমি অস্বীকার করি,ফলে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলাম বলে ৮ ই আগস্ট তার হোন্ডা বাহিনী ও শরীফ নিজে আমার অফিস ভাঙচুর করেছে। তাই জীবনের নিরাপত্তার জন্য আমি তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি। যাতে করে তরফপুর ইউনিয়নে শরীফের হোন্ডা বাহিনী, চাঁদাবাজি না করতে পারে। দলকে ব্যবহার করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কিছু লোককে মারধর করেছে এমনও প্রমাণ আছে এটা তো তরফপুর ইউনিয়নবাসী জানে। তাই এলাকাবাসীর কাছে চাওয়া আপনারা যদি আমার পাশে থাকেন তাহলে এরকম বিশৃঙ্খলা পাথরঘাটায় আর হবে না।
শরিফুর রহমান শরিফের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।










