ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাউবির এমএসএস প্রোগ্রামে প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীর ডিগ্রি অর্জন গাজীপুরের গাছায় দারুল হেদায়া কওমী মাদ্রাসার ৬ ছাত্রকে বলাৎকার শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেপ্তার মক্কায় মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ বাংলাদেশির নাম প্রকাশ চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন টঙ্গীতে মাদকের বিস্তার, বাড়ছে ছিনতাই-অস্ত্রের ব্যবহার ৯ মাসে ৪০২ মামলা, গ্রেপ্তার ৯৫৬; অভিযানের পরও থামছে না অপরাধ গাজীপুরে গণমাধ্যমকর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি বিআরটিএতে ‘প্রভাবশালী’ মোটরযান পরিদর্শক খ্যাত মামুনুর রশিদ এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ গাজীপুর মহানগরেতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, নির্বিকার সিটি কর্পোরেশন রাজধানীতে নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে অপারেশনের পর মৃত্যু হয় লিজার গাজীপুর টঙ্গীতে মাদক নির্মূলের নামে বস্তি উচ্ছেদের অভিযোগ, বস্তিবাসীর বিক্ষোভ

গাজীপুরে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই বর্জ্য অপসারণের কাজ ছেলেকে দেওয়ার অভিযোগ ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪ ৩৭৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

গাজীপুরে নিয়ম ভেঙ্গে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কাজ ৩৩ ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ছেলেকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯(২) (জ) লংঘন ও প্রভাব খাটিয়ে সিটি করপোরেশনের ৩৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান তার ছেলে ফাহমিদুর রহমানের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রহম আলী এন্টারপ্রাইজকে বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কাজের দরপত্র পাইয়ে দেন।

ওই ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা মামুনুর রশিদ অভিযোগে আরো বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯(২) (জ) ধারায় বলা হয়েছে ‘কোন ব্যক্তি মেয়র বা কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হইবার জন্য এবং উক্তরূপ  মেয়র বা কাউন্সিলর পদে থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি বা তার পরিবারের কোন সদস্য সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের কার্য সম্পাদনের বা মালামাল সরবরাহের জন্য ঠিকাদার হন বা ইহার জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হন বা সিটি করপোরেশনের কোন বিষয়ে তাহার কোন প্রকার আর্থিক স্বার্থ থাকে বা তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অত্যাবশ্যক কোন দ্রব্যের ডিলার হন।’ তিনি আরো অভিযোগ করেন এ টেন্ডারে আরো কয়েকজন ঠিকাদার অংশ নিতে গেলে স্থানীয় কাউন্সিলরের অনাপত্তি পত্রের প্রয়োজন হয়। কিন্তু কাউন্সিলর মিজানুর রহমান তার ছেলে ছাড়া অন্য কাউকে অনাপত্তি পত্র দেননি। পরে সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সাক্ষরিত এক চিঠিতে কাউন্সিলরের ছেলে ফাহমিদুর রহমানের প্রতিষ্ঠানকে বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমানের মোবাইল ফোনে বার বার ফোন দিলেও তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, আইনের বিষয়টি তার জানা নেই। কোন অভিযোগ পেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুরে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই বর্জ্য অপসারণের কাজ ছেলেকে দেওয়ার অভিযোগ ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০১:৪৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

গাজীপুরে নিয়ম ভেঙ্গে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কাজ ৩৩ ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ছেলেকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯(২) (জ) লংঘন ও প্রভাব খাটিয়ে সিটি করপোরেশনের ৩৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমান তার ছেলে ফাহমিদুর রহমানের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রহম আলী এন্টারপ্রাইজকে বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কাজের দরপত্র পাইয়ে দেন।

ওই ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা মামুনুর রশিদ অভিযোগে আরো বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯ এর ৯(২) (জ) ধারায় বলা হয়েছে ‘কোন ব্যক্তি মেয়র বা কাউন্সিলর পদে নির্বাচিত হইবার জন্য এবং উক্তরূপ  মেয়র বা কাউন্সিলর পদে থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি বা তার পরিবারের কোন সদস্য সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের কার্য সম্পাদনের বা মালামাল সরবরাহের জন্য ঠিকাদার হন বা ইহার জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হন বা সিটি করপোরেশনের কোন বিষয়ে তাহার কোন প্রকার আর্থিক স্বার্থ থাকে বা তিনি সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অত্যাবশ্যক কোন দ্রব্যের ডিলার হন।’ তিনি আরো অভিযোগ করেন এ টেন্ডারে আরো কয়েকজন ঠিকাদার অংশ নিতে গেলে স্থানীয় কাউন্সিলরের অনাপত্তি পত্রের প্রয়োজন হয়। কিন্তু কাউন্সিলর মিজানুর রহমান তার ছেলে ছাড়া অন্য কাউকে অনাপত্তি পত্র দেননি। পরে সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সাক্ষরিত এক চিঠিতে কাউন্সিলরের ছেলে ফাহমিদুর রহমানের প্রতিষ্ঠানকে বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমানের মোবাইল ফোনে বার বার ফোন দিলেও তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোন কেটে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা সোহেল রানা বলেন, আইনের বিষয়টি তার জানা নেই। কোন অভিযোগ পেলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।