ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আগস্টে অন্তত একটি নির্বাচন দিতে চায়-ইসি গাজীপুরের গাছায় দেশীয় অস্ত্রসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার গাজীপুরে ইয়াবাসহ ১ মাদক কারবারি আটক হাদি হত্যা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি মমতার, আঙুল অমিত শাহের দিকে রিকশা ও অটোরিকশা বন্ধ নয়, লাইসেন্সের আওতায় আনা হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক এক ছেলে সচিব এক ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক ৮ দিন পরিত্যক্ত কক্ষে পড়েছিল মায়ের প্রাণহীন দেহ খোঁজ নেয়নি কোন সন্তান মারা গেছেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান – ড. ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী গাজীপুরে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিককে অপহরণ করে সংঘবদ্ধ হামলা ও হেনস্তা করে ভিডিও ধারণের আটক ৫ ভালোবাসার গান শুনাচ্ছেন ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানী

আগস্টে অন্তত একটি নির্বাচন দিতে চায়-ইসি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল আগস্টে ঘোষণা করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরমধ্যে স্থানীয় সরকার আইন-বিধি সংস্কার করা হবে।

সেপ্টেম্বরের শেষে বা অক্টোবরের শুরুতে হতে পারে স্থানীয় সরকারের অন্তত একটি নির্বাচন।
ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনারদের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বৈঠক হয়। জুন-জুলাইয়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অগাস্ট থেকে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করা এবং যাতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে ভোট নেওয়া সম্ভব হয়, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

কয়েক ধাপে হলেও কোন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন দিয়ে শুরু হবে তা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।স্থানীয় সরকারের ৪ হাজার ৫৮১ ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ৪৯৫ উপজেলা পরিষদ, ৩৩০ পৌরসভা, ১৩ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদ নির্বাচন উপযোগী রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন করলেও এ এম এম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন কমিশন এখনো কোনো স্থানীয় সরকারের ভোট করেনি। এখন দলীয় সরকারের অধীনে নির্দলীয় স্থানীয় নির্বাচন করবে এ কমিশন।

সংস্কার কাজ গুছিয়ে কোন নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে বসবে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি।সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই যথাসময়ে ভোট শুরু হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে নির্বাচন করতে হলে অগাস্টে আমাদের তফসিল করতে হবে। সাধারণত এক থেকে দেড় মাস আগে তফসিল ঘোষণা দিতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতিমূলক কাজের মধ্যে আইন-বিধি সংস্কার, নির্বাচনি সরঞ্জামের মজুদ, চাহিদাসহ আনুষাঙ্গিক বিষয়গুলো মাস তিনেকের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকারের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন।চলতি বছরে সিটি নির্বাচন দিয়ে শুরু করা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ নিয়ে কি করা যায় আলোচনা দরকার।’
তিনি বলেন, ‘কোন নির্বাচন আগে হবে তা নির্ভর করছে (সরকারের সঙ্গে) আলোচনা সাপেক্ষে। অক্টোবর-মার্চ পর্যন্ত ভোটের উপযুক্ত সময়; এরমধ্যে বছর শেষে বার্ষিক পরীক্ষা রয়েছে। যেহেতু স্থানীয় সরকারের সব স্তরে করতে হবে; বর্ষার সময়টা দেখে তফসিল করতে হবে আমাদের।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আগস্টে অন্তত একটি নির্বাচন দিতে চায়-ইসি

আপডেট সময় : ০৩:০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল আগস্টে ঘোষণা করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এরমধ্যে স্থানীয় সরকার আইন-বিধি সংস্কার করা হবে।

সেপ্টেম্বরের শেষে বা অক্টোবরের শুরুতে হতে পারে স্থানীয় সরকারের অন্তত একটি নির্বাচন।
ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনারদের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বৈঠক হয়। জুন-জুলাইয়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অগাস্ট থেকে নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করা এবং যাতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে ভোট নেওয়া সম্ভব হয়, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

কয়েক ধাপে হলেও কোন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন দিয়ে শুরু হবে তা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।স্থানীয় সরকারের ৪ হাজার ৫৮১ ইউনিয়ন পরিষদ, ৬১ জেলা পরিষদ, ৪৯৫ উপজেলা পরিষদ, ৩৩০ পৌরসভা, ১৩ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদ নির্বাচন উপযোগী রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন করলেও এ এম এম নাসির উদ্দিন নেতৃত্বাধীন কমিশন এখনো কোনো স্থানীয় সরকারের ভোট করেনি। এখন দলীয় সরকারের অধীনে নির্দলীয় স্থানীয় নির্বাচন করবে এ কমিশন।

সংস্কার কাজ গুছিয়ে কোন নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে বসবে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি।সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই যথাসময়ে ভোট শুরু হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে নির্বাচন করতে হলে অগাস্টে আমাদের তফসিল করতে হবে। সাধারণত এক থেকে দেড় মাস আগে তফসিল ঘোষণা দিতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতিমূলক কাজের মধ্যে আইন-বিধি সংস্কার, নির্বাচনি সরঞ্জামের মজুদ, চাহিদাসহ আনুষাঙ্গিক বিষয়গুলো মাস তিনেকের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকারের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন।চলতি বছরে সিটি নির্বাচন দিয়ে শুরু করা যাবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ নিয়ে কি করা যায় আলোচনা দরকার।’
তিনি বলেন, ‘কোন নির্বাচন আগে হবে তা নির্ভর করছে (সরকারের সঙ্গে) আলোচনা সাপেক্ষে। অক্টোবর-মার্চ পর্যন্ত ভোটের উপযুক্ত সময়; এরমধ্যে বছর শেষে বার্ষিক পরীক্ষা রয়েছে। যেহেতু স্থানীয় সরকারের সব স্তরে করতে হবে; বর্ষার সময়টা দেখে তফসিল করতে হবে আমাদের।’