গাছা ভূমি অফিস লুটেপুটে খাচ্ছে দালাল খ্যাত জহির
- আপডেট সময় : ০৩:১৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ
টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলের আওতাধীন “গাছা ইউনিয়ন ভূমি অফিস” নিয়ােগপ্রাপ্ত সরকারী কোনাে কর্মচারী নন। ঢাল নেই, তলোয়ার নেই নিধিরাম সরদার। তিনিই। যেন গাছা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের হর্তাকর্তা। বলছি “গাছা ইউনিয়ন ভুমি অফিস” দালালখ্যাত উমেদার জহিরের কথা। নিয়ােগপ্রাপ্ত সরকারী কোনো কর্মচারী না হয়েও একই অফিসে আছেন ৫ বছর ধরে। এর আগে ছিলেন বাসন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। তার ভাবখানা দেখলে মনে হয় তিনি অফিসের বড় কোন কর্মকর্তা। বলা হয় তিনিই স্ব-ঘাোষিত ভূমি কর্মকর্তা। নিয়মিত অফিস করেন গাছা ভূমি অফিসে। অফিসের ভিতরের এক কোণে চেয়ার -টেবিল, কম্পিউটার সবই রয়েছে তার। শুধু অফিসের ভিতরেই নয় অফিসের বাইরেও রয়েছে আলাদা আরেকটি অফিস। সেখানেও নিয়মিত বসেন জহির। কাজ তার খারিজ বাণিজ্য। অভিযোগ রয়েছে, গাছা ভূমি অফিসে নামজারী বানিজ্য, খাসজমি বন্দোবস্তি করে দেয়ার নামে অর্থ আদায় করে আলাদিনের চেরাগ বনে গেছেন জহির। জহিরের নামে রয়েছে অগনিত খারিজ বাণিজ্যের অভিযােগ তারপরেও কেন প্রশাসন নিরব। সূত্রে প্রকাশ, তিনি যেখানে যান সেখানেই শুরু হয় বৈধ-অবৈধ পন্থায় উর্পাজনের পালা। অফিসের বাইরে ব্যক্তিগত আরেকটি অফিস বানিয়েছেন জহির। সেখানে বসেই। জমি নামজারী করে দেয়া, জমা খারিজ ও জমা এক্ত্রীকরন, জমি- জমা সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজ করে দেয়ার কন্ট্রাক্ট নিয়ে শুরু করেন পাইকারী ধান্দাবাজি। ভূমি সংক্রান্ত নানা কাজের বাহানায় সেবাপ্রার্থীদের নিয়ে যান তার ব্যক্তিগত অফিসে। অর্থের বিনিময়ে নামে -বেনাম সরকারী বিভিন্ন খাস জমি ব্দোবস্ত করে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান নিয়ােগপ্রাপ্ত সরকারী কোনো কর্মচারী না হয়েও পূর্বাচলের মতো আবাসিক এলাকায় রয়েছে কয়েককোটি টাকা মুল্যের ৩ কাঠা প্লট। কিন্তু প্র্টটি তার নয় বলে তিনি অস্বীকার করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গাছা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ছাড়া মিলছে না ভূমি সেবা। অভিযোেগ করলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। কর্তৃপক্ষের যথাযথ নজরদারি না থাকায় অফিসটিতে অনিয়মই যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। অস্বথাভাবিকভাবে বেড়েছে ঘুষের রেট। ফলে ব্যাপক ভাোগান্তির মুখে পড়েছেন। জনসাধারণ। জমির নামজারি ও জমাভাগ এবং ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করে নাগরিকরা সরকারের রাজস্ব তহবিলে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। কিন্তু নির্ধারিত ফি দিয়েও যখন ঘুষ প্রদানে বাধ্য হত হয়, ঘুষ না দিলে হয়রানি করা হয়।

















