ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিআরটিএতে ‘প্রভাবশালী’ মোটরযান পরিদর্শক খ্যাত মামুনুর রশিদ এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ গাজীপুর মহানগরেতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, নির্বিকার সিটি কর্পোরেশন রাজধানীতে নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে অপারেশনের পর মৃত্যু হয় লিজার গাজীপুর টঙ্গীতে মাদক নির্মূলের নামে বস্তি উচ্ছেদের অভিযোগ, বস্তিবাসীর বিক্ষোভ গাজীপুরের মৈরান ইনারপাড়ায় নিথর দেহের ওপর দিয়ে চলছে গাড়ি, পরিচয় সনাক্তের চে’ষ্টা গাজীপুরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে গাজীপুরে বিএনপির ছত্রছায়ায় ঈদগাহ কমিটির আ’লীগ নেতারা গাজীপুর মহানগরে গাছা থানাধীন স্বর্ণ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার কারখানার ঝুট ব্যবসা ঘিরে গাজীপুরে তাণ্ডব, সাংবাদিককে কু/পি/য়ে জখমের অভিযোগ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও নিন্দা

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ঘোড়ার মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

প্রতি কেজি মাংস ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল। প্রথমে সীমিত পরিসরে শুরু হলেও পরে তা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
গাজীপুর মহানগরের হায়দ্রাবাদ এলাকায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে প্রশাসন। তারা জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি এ বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি চালানোর ঘোষণা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) গাজীপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জালাল উদ্দীন এবং গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহীন মিয়া এ অভিযান পরিচালনা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হায়দ্রাবাদ এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম ও নুরুল্লাহ মামুন কয়েক বছর আগে দুবাই ভ্রমণের সময় সেখানকার হোটেলে ঘোড়ার মাংস বিক্রি হতে দেখেন।

এরপর দেশে ফিরে তারা পরীক্ষামূলকভাবে একটি ঘোড়া জবাই করে পরিবারের মধ্যে ভাগ করে নেন। পরে, চলতি বছরের শুরুর দিকে তারা বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রি শুরু করেন।

প্রতি কেজি মাংস ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল। প্রথমে সীমিত পরিসরে শুরু হলেও পরে তা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে ১০টি পর্যন্ত ঘোড়া জবাই করে বিক্রি করা হয় এবং মাংস সংগ্রহ করতে ক্রেতাদের টোকেন নিয়ে লাইন ধরতে হতো।

ঘোড়ার মাংস বিক্রিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

স্থানীয় এক মাদ্রাসার পরিচালক, মুফতি আবু সাইদ জানান, ইসলামে ঘোড়ার মাংস খাওয়ার বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে মানুষের অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে এটি গ্রহণযোগ্যতা পাবে কি না।

 শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, যদি ঘোড়াগুলো সাধারণ খাদ্য গ্রহণ করে লালিত হয়ে থাকে, তবে এর মাংস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। তবে নিশ্চিত হতে হবে যে, এগুলো বিষাক্ত খাদ্য বা কেমিক্যালযুক্ত খাবার খেয়ে বড় হয়নি। তা না হলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ঘোড়ার মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ

আপডেট সময় : ১০:৪৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

প্রতি কেজি মাংস ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল। প্রথমে সীমিত পরিসরে শুরু হলেও পরে তা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
গাজীপুর মহানগরের হায়দ্রাবাদ এলাকায় ঘোড়ার মাংস বিক্রির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে প্রশাসন। তারা জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঘোড়া জবাই ও মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি এ বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি চালানোর ঘোষণা দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) গাজীপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জালাল উদ্দীন এবং গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহীন মিয়া এ অভিযান পরিচালনা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হায়দ্রাবাদ এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম ও নুরুল্লাহ মামুন কয়েক বছর আগে দুবাই ভ্রমণের সময় সেখানকার হোটেলে ঘোড়ার মাংস বিক্রি হতে দেখেন।

এরপর দেশে ফিরে তারা পরীক্ষামূলকভাবে একটি ঘোড়া জবাই করে পরিবারের মধ্যে ভাগ করে নেন। পরে, চলতি বছরের শুরুর দিকে তারা বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রি শুরু করেন।

প্রতি কেজি মাংস ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছিল। প্রথমে সীমিত পরিসরে শুরু হলেও পরে তা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে ১০টি পর্যন্ত ঘোড়া জবাই করে বিক্রি করা হয় এবং মাংস সংগ্রহ করতে ক্রেতাদের টোকেন নিয়ে লাইন ধরতে হতো।

ঘোড়ার মাংস বিক্রিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

স্থানীয় এক মাদ্রাসার পরিচালক, মুফতি আবু সাইদ জানান, ইসলামে ঘোড়ার মাংস খাওয়ার বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে মানুষের অভ্যাসের ওপর নির্ভর করে এটি গ্রহণযোগ্যতা পাবে কি না।

 শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, যদি ঘোড়াগুলো সাধারণ খাদ্য গ্রহণ করে লালিত হয়ে থাকে, তবে এর মাংস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। তবে নিশ্চিত হতে হবে যে, এগুলো বিষাক্ত খাদ্য বা কেমিক্যালযুক্ত খাবার খেয়ে বড় হয়নি। তা না হলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।