ঢাকা ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিআরটিএতে ‘প্রভাবশালী’ মোটরযান পরিদর্শক খ্যাত মামুনুর রশিদ এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ গাজীপুর মহানগরেতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, নির্বিকার সিটি কর্পোরেশন রাজধানীতে নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে অপারেশনের পর মৃত্যু হয় লিজার গাজীপুর টঙ্গীতে মাদক নির্মূলের নামে বস্তি উচ্ছেদের অভিযোগ, বস্তিবাসীর বিক্ষোভ গাজীপুরের মৈরান ইনারপাড়ায় নিথর দেহের ওপর দিয়ে চলছে গাড়ি, পরিচয় সনাক্তের চে’ষ্টা গাজীপুরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে গাজীপুরে বিএনপির ছত্রছায়ায় ঈদগাহ কমিটির আ’লীগ নেতারা গাজীপুর মহানগরে গাছা থানাধীন স্বর্ণ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার কারখানার ঝুট ব্যবসা ঘিরে গাজীপুরে তাণ্ডব, সাংবাদিককে কু/পি/য়ে জখমের অভিযোগ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও নিন্দা

গাজীপুরে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞায় ভাওয়াল উদ্যানে এসটিএস নির্মাণ বন্ধ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬ ৯৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

গাজীপুর মহানগরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান এলাকায় সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণের সব কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ও আশপাশে বর্জ্য ফেলা থেকেও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৪ মে) ডেপুটি রেঞ্জার আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন জানান, হাইকোর্ট একটি রুল জারি করে এই নিষেধাজ্ঞা দেন। এর আগে,গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে। সংরক্ষিত বনভূমির ভেতরে সীমানাপ্রাচীর ভেঙে এসটিএস নির্মাণের অভিযোগ ওঠে। সরেজমিনে দেখা যায়, উদ্যানের প্রায় ৫০ ফুট সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলে খনন কাজ চলছে এবং পাকা সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। শাল-গজারী গাছ কেটে নতুন স্থাপনা তৈরিরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শ্রমিকরা জানান, দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ ছিল এবং ইতোমধ্যে কয়েকশ ফুট এলাকায় নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, শুরু থেকেই কাজটি বন্ধের চেষ্টা করা হলেও বিপুলসংখ্যক লোকজন থাকায় তা সম্ভব হয়নি। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও তার আশপাশে কোনো স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, এসটিএস নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশগত ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি এবং ওই স্থানে এমন স্থাপনা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, প্রকাশ্যে আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তবে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল হাসান দাবি করেন, নির্মাণাধীন জমিটি ব্যক্তি মালিকানাধীন এবং উদ্যানের ভেতরে নয়। যদিও তিনি স্বীকার করেন, জমিটির তিন দিকেই জাতীয় উদ্যানের সীমানা রয়েছে। বিকল্প জমি না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকারের সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং শিগগিরই একটি সমাধান আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গাজীপুরে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞায় ভাওয়াল উদ্যানে এসটিএস নির্মাণ বন্ধ

আপডেট সময় : ১০:৩৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

গাজীপুর মহানগরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান এলাকায় সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণের সব কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ও আশপাশে বর্জ্য ফেলা থেকেও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৪ মে) ডেপুটি রেঞ্জার আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন জানান, হাইকোর্ট একটি রুল জারি করে এই নিষেধাজ্ঞা দেন। এর আগে,গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বিরুদ্ধে। সংরক্ষিত বনভূমির ভেতরে সীমানাপ্রাচীর ভেঙে এসটিএস নির্মাণের অভিযোগ ওঠে। সরেজমিনে দেখা যায়, উদ্যানের প্রায় ৫০ ফুট সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলে খনন কাজ চলছে এবং পাকা সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। শাল-গজারী গাছ কেটে নতুন স্থাপনা তৈরিরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শ্রমিকরা জানান, দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ ছিল এবং ইতোমধ্যে কয়েকশ ফুট এলাকায় নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, শুরু থেকেই কাজটি বন্ধের চেষ্টা করা হলেও বিপুলসংখ্যক লোকজন থাকায় তা সম্ভব হয়নি। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও তার আশপাশে কোনো স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, এসটিএস নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশগত ছাড়পত্র নেওয়া হয়নি এবং ওই স্থানে এমন স্থাপনা না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, প্রকাশ্যে আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তবে সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল হাসান দাবি করেন, নির্মাণাধীন জমিটি ব্যক্তি মালিকানাধীন এবং উদ্যানের ভেতরে নয়। যদিও তিনি স্বীকার করেন, জমিটির তিন দিকেই জাতীয় উদ্যানের সীমানা রয়েছে। বিকল্প জমি না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। সরকারের সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং শিগগিরই একটি সমাধান আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন।