ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাউবির এমএসএস প্রোগ্রামে প্রথমবারের মতো তৃতীয় লিঙ্গের শিক্ষার্থীর ডিগ্রি অর্জন গাজীপুরের গাছায় দারুল হেদায়া কওমী মাদ্রাসার ৬ ছাত্রকে বলাৎকার শিক্ষক ও পরিচালক গ্রেপ্তার মক্কায় মসজিদে ‘অনৈতিক কাজ’, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ বাংলাদেশির নাম প্রকাশ চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন টঙ্গীতে মাদকের বিস্তার, বাড়ছে ছিনতাই-অস্ত্রের ব্যবহার ৯ মাসে ৪০২ মামলা, গ্রেপ্তার ৯৫৬; অভিযানের পরও থামছে না অপরাধ গাজীপুরে গণমাধ্যমকর্মীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি বিআরটিএতে ‘প্রভাবশালী’ মোটরযান পরিদর্শক খ্যাত মামুনুর রশিদ এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ গাজীপুর মহানগরেতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, নির্বিকার সিটি কর্পোরেশন রাজধানীতে নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে অপারেশনের পর মৃত্যু হয় লিজার গাজীপুর টঙ্গীতে মাদক নির্মূলের নামে বস্তি উচ্ছেদের অভিযোগ, বস্তিবাসীর বিক্ষোভ

তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

রাষ্ট্রীয় সম্মানের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সৈন্যরা বেগম জিয়ার কফিনটি নিয়ে আসার পর বেগম জিয়ার জন্য খনন করা কবরে নেমে তারেক রহমান খোলা হাতে মরদেহ গ্রহণ করেন।

বেগম জিয়াকে তার প্রয়াত স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বিকাল প্রায় ৪:৩০ মিনিটে সমাহিত করা হয়।

এসময় তারেক রহমানকে তার নিকটাত্মীয়রা মরদেহ কবরে রাখার জন্য সহায়তায়  করেন। কবর ঢেকে দেয়ার সময় তিনি এক মুষ্টি মাটি কবরে তুলে দেন। এরপর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা এবং উপস্থিত অন্যান্যরা দাফন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।

তারেক রহমানের স্ত্রী ডাঃ জুবাইদা রহমান, তার মৃত ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং কোকোর মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য মহিলা সদস্যরা দাফন প্রক্রিয়া চলাকালীন কাছেই নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

কবর মাটি দিয়ে ভরাট করার সময় রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সৈন্যরা গান স্যালুট  প্রদান করে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, তার সামরিক সচিব এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে, তার সামরিক সচিব কবর ভরাট করার পর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সেনাবাহিনীর বিউগল বাজানোর সাথে সাথে সামরিক, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা কবরের সামনে এসে মরহুমা খালেদা জিয়ার প্রতি সালাম জানান।

তারেক রহমানের সাথে দুজন সামরিক সদস্যও রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সকলে মরহুমার আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।

বেগম জিয়ার জানাজার এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর তাকে দাফন করা হয়। জাতীয় পতাকা মোড়ানো একটি ভ্যান সৈন্যদের পাহারায় ধীরে ধীরে জিয়া উদ্যানের দিকে এগিয়ে যায়।

বিকেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম ঘটে। সেখানে তার পরিবার, প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সিনিয়র রাজনীতিবিদ, সিনিয়র বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবৃন্দ যোগ দেন।

বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ বিদেশী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন এবং তারেক রহমানের সাথে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন

আপডেট সময় : ০২:১৮:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

রাষ্ট্রীয় সম্মানের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সৈন্যরা বেগম জিয়ার কফিনটি নিয়ে আসার পর বেগম জিয়ার জন্য খনন করা কবরে নেমে তারেক রহমান খোলা হাতে মরদেহ গ্রহণ করেন।

বেগম জিয়াকে তার প্রয়াত স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বিকাল প্রায় ৪:৩০ মিনিটে সমাহিত করা হয়।

এসময় তারেক রহমানকে তার নিকটাত্মীয়রা মরদেহ কবরে রাখার জন্য সহায়তায়  করেন। কবর ঢেকে দেয়ার সময় তিনি এক মুষ্টি মাটি কবরে তুলে দেন। এরপর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা এবং উপস্থিত অন্যান্যরা দাফন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।

তারেক রহমানের স্ত্রী ডাঃ জুবাইদা রহমান, তার মৃত ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং কোকোর মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য মহিলা সদস্যরা দাফন প্রক্রিয়া চলাকালীন কাছেই নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

কবর মাটি দিয়ে ভরাট করার সময় রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সৈন্যরা গান স্যালুট  প্রদান করে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, তার সামরিক সচিব এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে, তার সামরিক সচিব কবর ভরাট করার পর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সেনাবাহিনীর বিউগল বাজানোর সাথে সাথে সামরিক, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা কবরের সামনে এসে মরহুমা খালেদা জিয়ার প্রতি সালাম জানান।

তারেক রহমানের সাথে দুজন সামরিক সদস্যও রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সকলে মরহুমার আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।

বেগম জিয়ার জানাজার এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর তাকে দাফন করা হয়। জাতীয় পতাকা মোড়ানো একটি ভ্যান সৈন্যদের পাহারায় ধীরে ধীরে জিয়া উদ্যানের দিকে এগিয়ে যায়।

বিকেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম ঘটে। সেখানে তার পরিবার, প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সিনিয়র রাজনীতিবিদ, সিনিয়র বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবৃন্দ যোগ দেন।

বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ বিদেশী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন এবং তারেক রহমানের সাথে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানান।