ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিআরটিএতে ‘প্রভাবশালী’ মোটরযান পরিদর্শক খ্যাত মামুনুর রশিদ এর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ গাজীপুর মহানগরেতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, নির্বিকার সিটি কর্পোরেশন রাজধানীতে নারী থেকে পুরুষ হওয়ার স্বপ্নে অপারেশনের পর মৃত্যু হয় লিজার গাজীপুর টঙ্গীতে মাদক নির্মূলের নামে বস্তি উচ্ছেদের অভিযোগ, বস্তিবাসীর বিক্ষোভ গাজীপুরের মৈরান ইনারপাড়ায় নিথর দেহের ওপর দিয়ে চলছে গাড়ি, পরিচয় সনাক্তের চে’ষ্টা গাজীপুরে ঘুমন্ত স্বামীর পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে গাজীপুরে বিএনপির ছত্রছায়ায় ঈদগাহ কমিটির আ’লীগ নেতারা গাজীপুর মহানগরে গাছা থানাধীন স্বর্ণ ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার কারখানার ঝুট ব্যবসা ঘিরে গাজীপুরে তাণ্ডব, সাংবাদিককে কু/পি/য়ে জখমের অভিযোগ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও নিন্দা

ভাড়াটিয়া হয়ে গেলেন মালিক উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫ ১৩০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর:

 

গাজীপুরে ভাড়াটিয়া সেজে আবাসন প্রকল্পের অফিস দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। ওই অফিস উদ্ধারের দাবিতে শনিবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রকল্প কর্মকর্তারা।

গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার উত্তর খাইলকৈর এলাকায় ধানসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক মো. রমজান আলী আকন্দ জানান, নিজেদের কর্মব্যস্ততার কারণে প্রকল্পঅফিস নিয়মিত ব্যবহার করতেন না। এই সুযোগে তাদের প্রকল্পের তৎকালীন কেয়ারটেকার ও জমির দালাল স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কফিল উদ্দিন ব্যবসার কথা বলে ২০১৩ সালে অফিসটি ভাড়া নেন। তিনি প্রথমে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করে আসলেও পরবর্তীতে কয়েক মাস ভাড়া পরিশোধ না করে নিজেই ওই অফিসসহ জমির মালিকানা দাবি করে বসেন। এমনকি বিগত ২০১৮ সালে মালিকানাবিহীন একটি দলিল তৈরি করে  তার সম্বন্ধী স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আহমদ আলী বেপারীর সহযোগিতায় আবাসন প্রকল্পের অফিসসহ প্রায় ৫ শতাংশ জমি জবরদখল করেন। গণবিপ্লবে ফ্যাসিবাদ সরকারেরর পতনের পর থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আহমদ আলী পলাতক রয়েছেন। বর্তমানে আবাসন প্রকল্পের কর্মকর্তারা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বেদখল হওয়া ওই অফিস ও জমি উদ্ধারের উদ্যোগ নিলে আ’লীগ নেতা কফিল উদ্দিন ৮০ লাখ টাকা দাবি করেন। ওই জমিতে তার ৮০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে স্থানীয় সালিশে দাবি জানান।

এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কফিল উদ্দিনকে পাওয়া যায়নি। তাঁর ছেলে হাবিবুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি ওই জমি ব্যাংকে বন্ধক রেখে এক কোটির টাকা লোন এনেছি। আমাদের কাগজপত্র সঠিক না থাকলে ব্যাংক লোন দিত না। প্রকৃত ঘটনা হলো, ধানসিঁড়ি কতৃপক্ষ জমি কিনেছে ৯৭৫ নং দাগে, আর দাবি করছে ৯৭৮ নং দাগে। তারা আদালতকে বিভ্রান্ত করে একতরফা একটি রায় এনে আমাদের জমি দাবি করছে। আমরা ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ভাড়াটিয়া হয়ে গেলেন মালিক উদ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৭:২৪:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫

মোঃ জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর:

 

গাজীপুরে ভাড়াটিয়া সেজে আবাসন প্রকল্পের অফিস দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। ওই অফিস উদ্ধারের দাবিতে শনিবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রকল্প কর্মকর্তারা।

গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার উত্তর খাইলকৈর এলাকায় ধানসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক মো. রমজান আলী আকন্দ জানান, নিজেদের কর্মব্যস্ততার কারণে প্রকল্পঅফিস নিয়মিত ব্যবহার করতেন না। এই সুযোগে তাদের প্রকল্পের তৎকালীন কেয়ারটেকার ও জমির দালাল স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কফিল উদ্দিন ব্যবসার কথা বলে ২০১৩ সালে অফিসটি ভাড়া নেন। তিনি প্রথমে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করে আসলেও পরবর্তীতে কয়েক মাস ভাড়া পরিশোধ না করে নিজেই ওই অফিসসহ জমির মালিকানা দাবি করে বসেন। এমনকি বিগত ২০১৮ সালে মালিকানাবিহীন একটি দলিল তৈরি করে  তার সম্বন্ধী স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আহমদ আলী বেপারীর সহযোগিতায় আবাসন প্রকল্পের অফিসসহ প্রায় ৫ শতাংশ জমি জবরদখল করেন। গণবিপ্লবে ফ্যাসিবাদ সরকারেরর পতনের পর থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আহমদ আলী পলাতক রয়েছেন। বর্তমানে আবাসন প্রকল্পের কর্মকর্তারা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বেদখল হওয়া ওই অফিস ও জমি উদ্ধারের উদ্যোগ নিলে আ’লীগ নেতা কফিল উদ্দিন ৮০ লাখ টাকা দাবি করেন। ওই জমিতে তার ৮০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে বলে স্থানীয় সালিশে দাবি জানান।

এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কফিল উদ্দিনকে পাওয়া যায়নি। তাঁর ছেলে হাবিবুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি ওই জমি ব্যাংকে বন্ধক রেখে এক কোটির টাকা লোন এনেছি। আমাদের কাগজপত্র সঠিক না থাকলে ব্যাংক লোন দিত না। প্রকৃত ঘটনা হলো, ধানসিঁড়ি কতৃপক্ষ জমি কিনেছে ৯৭৫ নং দাগে, আর দাবি করছে ৯৭৮ নং দাগে। তারা আদালতকে বিভ্রান্ত করে একতরফা একটি রায় এনে আমাদের জমি দাবি করছে। আমরা ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছি।