স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে নিজের ফাঁকা বাড়িতে পরকীয়া প্রেমিককে ডেকে এনেছিলেন দুই সন্তানের জননী।
সারারাত একসঙ্গে মা/দ//ক (বাবা) সেবন করে ভোরের দিকে তলিয়ে যান গভীর ঘুমে। কিন্তু সেই ‘ভালোবাসার ঘুম’ ভাঙার আগেই সকালে ঘরে ঢুকে পড়ে এলাকাবাসী। আর আপত্তিকর অবস্থায় একেবারে হাতে-নাতে ধ//রা পড়ে যায় এই প্রেমিক যুগল!
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে মানিকগঞ্জ সদর থানার বেতিলা মিতরা ইউনিয়নের ভেকুরা গ্রামে।
কী ঘটেছিল আসলে?
স্থানীয় সূত্রে এবং আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, প্রবাসে থাকা স্বামীর অনুপস্থিতিতে ফাতেমা নামের ওই গৃহবধূ গত ১০ মাস ধরে প্রান্ত (পিতা- আক্কাস আলী) নামের এক যুবকের সঙ্গে প/র/কী/য়া/ সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। মোবাইলের পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। প্রান্ত মা/দ/কা/স/ক্ত হওয়ায় ধীরে ধীরে ফাতেমাও নে//শা/য় জড়িয়ে পড়েন।
স্বামী বিদেশ থেকে যে টাকা পাঠাতেন, তার বড় একটি অংশ ফাতেমা তার প্রেমিক ও নে/শা/র পেছনে উড়াতেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে, তারা স্বামীর টাকায় কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যেতেন এবং হোটেলে সময় কাটাতেন। এমনকি ঘরের ফ্রিজ বিক্রি করে দেওয়া এবং বাবার কাছে টাকা লুকিয়ে রাখার কথাও উঠে আসে কথোপকথনে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, প্রেমিক প্রান্ত এলাকার চিহ্নিত বখাটে এবং সে সুখে থাকা বিবাহিত নারীদের টার্গেট করে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এর আগেও তাকে নিয়ে এলাকায় একাধিক শালিস-বিচার হয়েছে। ধরা পড়ার পর প্রান্ত জানায়, সে ফাতেমাকে বিয়ে করতে রাজি। তবে ফাতেমার আগের ঘরের দুই সন্তানের কোনো দায়িত্ব সে নেবে না!
সকালে দীর্ঘক্ষণ ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। পরে তারা দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে এই যুগলকে আটক করে। এ সময় স্থানীয়দের আক্ষেপ করে বলতে শোনা যায়, “আহারে ভালোবাসার ঘুম রে! স্বামী বিদেশে কষ্ট করে আর স্ত্রী দেশে এই কাজ করে!”
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, পারিবারিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয়ের কারণেই সমাজে এমন ঘটনা জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। প্রবাসীর দুই অবুঝ সন্তানের ভবিষ্যৎ এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।