ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে ১০ হাজার পিচ ইয়াবা সহ দুই নারী আটক  রাজধানীতে বসছে ২৪ অস্থায়ী পশুর হাট, আফতাবনগরে ‘অনিশ্চিত’ যুবসমাজ রক্ষায় মাদককে না বলুন- গাছায় বিএনপির নেতার বিশাল র ্যালি ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিধবাকে ধ/র্ষণ গাজীপুরে গাছায় ১১ পিস ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার গাছা এলার বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন গাজীপুরে টঙ্গীতে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন স্ত্রী গ্রেফতার গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান কে দেখতে জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে যান গাছা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃকামাল উদ্দিন। গাছা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান ভাই মহাখালী জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল  ভর্তি আছে সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গাছা প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম

তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

রাষ্ট্রীয় সম্মানের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সৈন্যরা বেগম জিয়ার কফিনটি নিয়ে আসার পর বেগম জিয়ার জন্য খনন করা কবরে নেমে তারেক রহমান খোলা হাতে মরদেহ গ্রহণ করেন।

বেগম জিয়াকে তার প্রয়াত স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বিকাল প্রায় ৪:৩০ মিনিটে সমাহিত করা হয়।

এসময় তারেক রহমানকে তার নিকটাত্মীয়রা মরদেহ কবরে রাখার জন্য সহায়তায়  করেন। কবর ঢেকে দেয়ার সময় তিনি এক মুষ্টি মাটি কবরে তুলে দেন। এরপর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা এবং উপস্থিত অন্যান্যরা দাফন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।

তারেক রহমানের স্ত্রী ডাঃ জুবাইদা রহমান, তার মৃত ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং কোকোর মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য মহিলা সদস্যরা দাফন প্রক্রিয়া চলাকালীন কাছেই নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

কবর মাটি দিয়ে ভরাট করার সময় রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সৈন্যরা গান স্যালুট  প্রদান করে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, তার সামরিক সচিব এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে, তার সামরিক সচিব কবর ভরাট করার পর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সেনাবাহিনীর বিউগল বাজানোর সাথে সাথে সামরিক, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা কবরের সামনে এসে মরহুমা খালেদা জিয়ার প্রতি সালাম জানান।

তারেক রহমানের সাথে দুজন সামরিক সদস্যও রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সকলে মরহুমার আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।

বেগম জিয়ার জানাজার এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর তাকে দাফন করা হয়। জাতীয় পতাকা মোড়ানো একটি ভ্যান সৈন্যদের পাহারায় ধীরে ধীরে জিয়া উদ্যানের দিকে এগিয়ে যায়।

বিকেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম ঘটে। সেখানে তার পরিবার, প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সিনিয়র রাজনীতিবিদ, সিনিয়র বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবৃন্দ যোগ দেন।

বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ বিদেশী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন এবং তারেক রহমানের সাথে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন

আপডেট সময় : ০২:১৮:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
জাকারিয়া হোসেন হিমেলঃ

রাষ্ট্রীয় সম্মানের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সৈন্যরা বেগম জিয়ার কফিনটি নিয়ে আসার পর বেগম জিয়ার জন্য খনন করা কবরে নেমে তারেক রহমান খোলা হাতে মরদেহ গ্রহণ করেন।

বেগম জিয়াকে তার প্রয়াত স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বিকাল প্রায় ৪:৩০ মিনিটে সমাহিত করা হয়।

এসময় তারেক রহমানকে তার নিকটাত্মীয়রা মরদেহ কবরে রাখার জন্য সহায়তায়  করেন। কবর ঢেকে দেয়ার সময় তিনি এক মুষ্টি মাটি কবরে তুলে দেন। এরপর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা এবং উপস্থিত অন্যান্যরা দাফন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।

তারেক রহমানের স্ত্রী ডাঃ জুবাইদা রহমান, তার মৃত ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং কোকোর মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য মহিলা সদস্যরা দাফন প্রক্রিয়া চলাকালীন কাছেই নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

কবর মাটি দিয়ে ভরাট করার সময় রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সৈন্যরা গান স্যালুট  প্রদান করে।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, তার সামরিক সচিব এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে, তার সামরিক সচিব কবর ভরাট করার পর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সেনাবাহিনীর বিউগল বাজানোর সাথে সাথে সামরিক, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা কবরের সামনে এসে মরহুমা খালেদা জিয়ার প্রতি সালাম জানান।

তারেক রহমানের সাথে দুজন সামরিক সদস্যও রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সকলে মরহুমার আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।

বেগম জিয়ার জানাজার এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর তাকে দাফন করা হয়। জাতীয় পতাকা মোড়ানো একটি ভ্যান সৈন্যদের পাহারায় ধীরে ধীরে জিয়া উদ্যানের দিকে এগিয়ে যায়।

বিকেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম ঘটে। সেখানে তার পরিবার, প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সিনিয়র রাজনীতিবিদ, সিনিয়র বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবৃন্দ যোগ দেন।

বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ বিদেশী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন এবং তারেক রহমানের সাথে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানান।